এনামুল হাসান সোহাগ, ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি ,
জনতারআদালত.কম । ১৭ আগষ্ট, ২০১৭ ।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ হেলাল উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মামলার অন্য আরেক আসামি নজরুল ইসলামকে বেকসুল খালাস দেন।
রায়ের বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৯ অক্টোবর ফুলবাড়িয়া উপজেলার কালাদহ দীঘলপাড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মনিরুজ্জামান সেলিমের সাথে শুশুতি গ্রামের ছফর আলীর মেয়ে পাপিয়া আক্তারের (৩০) বিয়ে হয়।
স্বামী মনিরুজ্জামান স্বাস্থ্য বিভাগে চাকরি নেবে বলে স্ত্রীর কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবি করেন । পাপিয়ার বাবা যৌতুক দিতে অপারগতা প্রকাশ করে মেয়েকে নিজের বাড়িতেই রেখে দেয়। ঘটনার ১৫ দিন আগে মনিরুজ্জামান স্ত্রী পাপিয়াকে বাড়ি নিয়ে আসে এবং শারিরীক নিযার্তন শুরু করে।
২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল দিবাগত রাতে পাপিয়াকে হত্যা করে। পরদিন পাপিয়ার বাবাকে খবর দেয় যে, তার মেয়ে অসুস্থ। খবর পেয়ে পাপিয়ার স্বজনরা এসে দেখে ঘরের ভেতর পাপিয়ার লাশ পড়ে রয়েছে। বিষয়টি ফুলবাড়ীয়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় পাপিয়ার বাবা ছফর আলী বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করে। আদালত স্যাক্ষ প্রমাণ শেষে মনিরুজ্জামানকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন। মামলার বাদী পাপিয়ার বাবা ছফর আলী অত্র মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন আজ আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।


























