রবিউল হাসান লায়ন , জামালপুর ,
জনতারআদালত.কম । ৩০ আগষ্ট, ২০১৭ ।

জামালপুরে রেল দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহতের পর প্রত্যেক রেলক্রসিংয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্থানীয় প্রশাসন ও রেল বিভাগ। কিন্তু বটতলা রেলক্রসিংয়ের দক্ষিণ পার্শে উচ্ছেদের ২০ দিনের মাথায় ঈদগাহ মাঠের নামে নতুন করে দখল শুরু হয়েছে। এই সুযোগে ক্রসিংয়ের উত্তর ও পূর্ব পাশেও প্রভাবশালী দখলদাররা রেলের জায়গা দখল করে নিচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রেলক্রসিংয়ের পশ্চিমে বাউন্ডারি ঘেরা কাচারীপাড়া ঈদগাহ মাঠ থাকার পরও কয়েকজন প্রভাবশালী দখলদার নতুন করে ঈদগাহ করতে চাচ্ছে। তারা বর্তমান ঈদগাহ মাঠের সভাপতি জহরুল ইসলাম মুনছুরের নামে রেলের জমি দখল করে নতুন ঈদগাহ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে দখল করলে স্থানীয় প্রশাসন ও রেল বিভাগ বাধা দিবেনা এই কৌশলে বুধবার সকাল থেকে রেলের জায়গার চারপাশে সিমেন্টের খুঁটি লাগিয়ে দখল শুরু করেছে তারা।

এই নিয়ে কাচারীপাড়া ঈদগাহ মাঠের সভাপতি জহুরুল ইসলাম মুনছুরের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাসেল সাবরিন বলেন, ‘আমি খবর পেয়ে রেলওয়ের জামালপুর সেকশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি পুনরায় দখলকৃত স্থাপনা উচ্ছেদের। যত প্রভাবশালীই হোক রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়তে দিবনা। এ ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স।

উল্লেখ্য, রেলক্রসিংয়ের অবৈধ স্থাপনায় চারপাশ ঢেকে যাওয়ায় জামালপুর শহরের চন্দ্রা ঘুণ্টি রেলক্রসিংয়ে ৭ আগস্ট রেল দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়। এ ঘটনার একদিন পর চন্দ্রা ঘুণ্টি রেলক্রসিংয়ে উচ্ছেদ এবং দ্বিতীয় দিন ৯ আগস্ট বটতলা রেলক্রসিংয়ে বাজারসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্থানীয় প্রশাসন ও রেল বিভাগ।


























