ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১০ নভেম্বর, ২০১৭ ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রোববারের জনসভা অনুষ্ঠানে সরকারের কাছ থেকে রাজনৈতিক আচরণ প্রত্যাশা করছে বিএনপি।
শুক্রবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভাস্থল পরিদর্শন করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দলের এই প্রত্যাশার কথা উচ্চারণ করেন।
তিনি বলেন, সরকার তো সব কাজে বাধা দেয়। বেগম জিয়ার দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে যেতে নেতাকর্মীদের বাধা দেয়া হয়। এরপরও সেদিন কিভাবে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল তা দেশবাসী দেখেছে। এবার যদি সরকার বাধা না দেয় তাহলে লোক সমাগম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।
সমাবেশে কোন প্রকার বাধা না দিয়ে সহযোগিতা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাধা দেয়ার প্রয়োজন কী ? সমাবেশ করতে দিন নির্বিঘ্নে। জনগণকে সমাবেশ করতে দিন। আপনারাও সমাবেশ করেন। জনগণই সবকিছু বিচার করুক।
সরকার কোন প্রকার বাধা না দিলে ১২ নভেম্বর সমাবেশে লোক সমাগম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য ।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রোববার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির উদ্যোগে এ জনসভা হবে, যাতে প্রধান অতিখি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বিকাল ৩টায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলকে নিয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যান। সেখানে মাঠের কোথায় মঞ্চ নির্মাণ হবে তার একটি সম্ভাব্য নকশা নিয়ে মঞ্চ নির্মাতার সঙ্গে আলাপ করেন।
এ সময়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আবদুস সালাম আজাদ, মহানগর দক্ষিণের কাজী আবুল বাশার, রফিকুল ইসলাম রাসেল, সাইফুল ইসলাম পটু, উত্তরের মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, আহসানউল্লাহ হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, মোস্তাফিজুর রহমান ফিরোজ, যুব দলের মোরতাজুল করিম বাদরু, মামুন হাসান, নুরুল ইসলাম নয়ন, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


























