ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৩ জেলায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় রাজশাহী, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলা উচ্চঝুঁকিতে। এদিকে রোগীর চাপে হাসপাতালগুলোতে হিমশিম অবস্থা। করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেগঞ্জে।
রাজশাহী বিভাগ : গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদের মধ্যে ২ জন পজিটিভ, একজন পজিটিভ থেকে নেগেটিভ হওয়ার পর এবং ১৭ জন উপসর্গে মারা যান। রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খুলনা বিভাগ : খুলনায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা। ফলে পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বুধবার (৭ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় খুলনার পৃথক চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা এ পর্যন্ত খুলনার হাসপাতালে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।
চট্টগ্রাম বিভাগ : গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৬৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬১১ জনের। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার ৩৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৬২ হাজার ২০০ জন। এইদিন করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৭ জুলাই) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে অ্যান্টিজেন টেস্টের পাশাপাশি ১০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। এদিন শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পাওয়া গেছে সীতাকুণ্ড উপজেলায়।
বরিশাল বিভাগ : বরিশালে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জন মারা গেছে। শনাক্তের হার ৬৯ দশমিক ১৪ শতাংশ। জেলায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১৭৩ জন।
রংপুর বিভাগ : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে রংপুর বিভাগে আরো ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগ : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসেময়মনসিংহ বিভাগে আরো ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে কুষ্টিয়ায় ১৬ জন, সাতক্ষীরায় ৯ জন, টাঙ্গাইলে ৬ এবং বরগুনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।


























