spot_img

১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহ জেলা জনপদে হত্যা,লুটতরাজ ও ধ্বংসাত্মক কাজে জড়িতরা আজ আইনের কাঠগড়ায় [২য় পর্ব]

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম, প্রকাশক , জনতারআদালত.কম । ০৭ অক্টোবর, ২০১৭ ।

 

১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহ জনপদে যেসব হত্যা, খুন, লুটতরাজ ও বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিলো, তা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনী কর্তৃক ব্যাপকভাবে বাঙ্গালী গণহত্যার পর ১৯৭৪ সালে মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তির নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন চরমপন্থী দ্বারা মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী হত্যার ঘটনাগুলি অন্যতম।

আজও ময়মনসিংহ জেলা জনপদের নিরীহ মানুষগুলো “রাতের বাহিনী” –এর অত্যাচারের কথা ভুলতে পারেনি। সারাদেশে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী তথা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনকে হত্যা, খুন, রাহাজানি, লুটতরাজ ব্যাপকভাবে ঘটিয়েছিলো তথাকথিত সর্বহারা ও গণবাহিনীর সন্ত্রাসীরা। তারা উক্ত জনপদে যেসব অপরাধমূলক ঘটনা ঘটিয়েছিলো, তা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধু সরকারকে উৎখাতের জন্যে।

স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও চীনপন্থী তথাকথিত কমিউনিস্ট বিপ্লবীরা পাকিস্তানী গোয়েন্দাদের টাকা খেয়ে পুষ্ট হয়ে সারাদেশের বিভিন্ন জনপদে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের হত্যা কার্যক্রম শুরু করলো। উদ্দেশ্য একটাই, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মনোবল ভেঙ্গে যাবে।

কারণ, তিনি দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসতেন। এই হত্যাযজ্ঞের ফলে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মনোবলও ভেঙ্গে যাবে। স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি- রাজাকারদের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে তথাকথিত সর্বহারা পার্টি খাদ্যের গুদাম লুট, রেললাইন তুলে নিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে লাগলো। প্রথমেই তারা থানা ও পুলিশফাঁড়ি লুট করে অস্ত্র সংগ্রহ করলো। জনগণের কাছে নিরাপত্তার জন্য লাইসেন্সকৃত বন্দুকও তারা লুট করে নিয়ে যায়। তারা সারাদেশে ১০/১২ জন জাতীয় সংসদ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে।

“সিরাজ শিকদার” –নামীয় সর্বহারা পার্টি প্রথমেই ময়মনসিংহের জনপ্রিয় শ্রমিকনেতা, ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য- এডঃ ইমান আলীকে ১৯৭৪ সালের ৩০শে জুলাই সন্ধ্যার সময় চুরখাই গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রিক্সা যোগে স্ত্রী ও সন্তান সহ ময়মনসিংহ শহরে তাদের ভাড়া বাসায় আসার পথে শিকারীকান্দা আমতলী স্কুলের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে রিক্সা থামিয়ে এম.পি সাহেবকে রিক্সা থেকে নামিয়ে পরপর কয়েকটি গুলি করে হত্যা করে। হত্যার পর “সিরাজ শিকদার জিন্দাবাদ” –বলে শ্লোগান দিতে দিতে সেই সন্ত্রাসীরা দুই ভাগ হয়ে চলে যায়। একভাগ চলে যায় ত্রিশালের দিকে, অন্যটি যায় পশ্চিম ভারেরার দিকে।

                                                  ছবিঃ সিরাজ শিকদার

সিরাজ শিকদার –নামীয় সর্বহারা পার্টি সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার পরে “সিরাজ শিকদার” নামে জয়ধ্বনি দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতো। আমার বাড়ি যখন তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে এবং আমার ভাই ও চাচাকে ধরে নিয়ে যায়, তখনও তারা “সিরাজ শিকদার” নামে জয়ধ্বনি দিয়েছিলো। কোতয়ালি থানার ভাবখালী গ্রামের অরুণ মাষ্টার ও মজিদকে গুলি করে হত্যা করার পর তাদের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিয়ে একই জয়ধ্বনি করে।

মরিচার চরের কলিমউদ্দিন চেয়ারম্যান, কালীর বাজারের মদন সরকার, আমিরউদ্দিন, খলিলুর রহমান, কানিহারীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মজিদ, আওয়ামীলীগ নেতা উসন আলী ও তার ছেলে ইদ্রিস আলী, বালিপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা শ্রী নগেন্দ্র আচার্য্য প্রমুখকে গুলি করে হত্যা করে “সিরাজ শিকদার জিন্দাবাদ” ধ্বনি দিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছিলো।

গফরগাঁও থানা ও ত্রিশাল থানার ধানীখলা পুলিশফাঁড়ি লুট করে ঐ একই জয়ধ্বনি করে উল্লাস করে তারা। গয়েশপুর খাদ্য গুদাম ও শ্যামগঞ্জের খাদ্য গুদাম লুট করেও সেই একই শ্লোগানে উল্লাস করে। আবার শ্যামগঞ্জ, ঝারিয়া ও মোহনগঞ্জে ব্যাংক লুট করে গণবাহিনীর নামে জয়ধ্বনি করেছিলো। ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ি ব্যাংক লুট করে সিরাজ শিকদারের নামে জয়ধ্বনি করেছিলো।

আমার এতকিছু লেখার উদ্দেশ্য হলো- উক্ত জনপদের উল্লিখিত সকল অপরাধগুলি সংঘটিত করেছে সিরাজ শিকদার পার্টি। সকল প্রশ্নের উত্তর হলো- যারা “সিরাজ শিকদার” পার্টি করেছে, তারা প্রত্যেকেই এসব অপরাধকর্মের সাথে জড়িত ছিলো। আর, কারা কারা “সিরাজ শিকদার” পার্টি করেছে, ক্ষতিগ্রস্ত জনপদের মানুষজন এদের প্রত্যেককেই ভালো করে চেনে ও জানে। পুলিশের শুধু এখন দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- তদন্ত করে প্রকৃত আসামীদেরকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো।

আমার ১ম পর্বের লেখার শুরুতেই বলেছিলাম- স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস, মুসলিমলীগের নেতাকর্মী, চীনপন্থী বিপ্লবীরা ও মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী কতিপয় মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাবিহীন মুক্তিযোদ্ধারা মিলে এই সর্বহারা পার্টি গঠন করেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, তালিকাতে নাম থাকলেই মুক্তিযোদ্ধা হয় না।প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হতে হলে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও উদ্দেশ্যকে বুকে ধারণ করেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে হবে। এরাও আসলে সেরূপ মুক্তিযোদ্ধা ছিলো না। এদের রক্তে সেই অর্থে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিদ্যমান ছিলো না। তাই, এদেরকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বলা যায় না। এরা ছিলো মুসলিমলীগের সন্তান। পাক আর্মির কাছে বিভিন্ন তথ্য পাচারের উদ্দেশ্যে পাকবাহিনীর নির্দেশেই মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশ করেছিলো। এসব অনুপ্রবেশকারী কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার পর তাদের রাজাকার পিতা বা ভাইদের বিচার করেনি, বরং ১৯৭৪ সালে তাদের রাজাকার বাবা-ভাইদের নিয়ে “সিরাজ শিকদার” পার্টি গঠন করে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে।

আমি গতপর্বেই বলেছিলাম- “শুধু কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করুন।” কথা আর কাজে মিল থাকাটাই স্বাভাবিক। অস্বাভাবিক কোনো কাজকর্মই জনসাধারণ পছন্দ করে না।

একজন মুক্তিযোদ্ধার জীবনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারন করা ও কর্মে তা পালন করাই হলো মুক্তিযুদ্ধের বা মুক্তিযোদ্ধার প্রকৃত পরিচয়। আমি মুক্তিযুদ্ধ করলাম, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের নেতার প্রতি অসম্মানও করলাম। তাহলে তো আর আমি নিজেকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা দাবী করতে পারবো না। আর যারা তা দাবী করে, তারা নৈতিকতা বিরোধী কাজ করে। যারা আজ রাজাকারদের সহযোগিতায় হত্যা-লুটতরাজ মামলার আসামী হয়ে নানা রকম মন্তব্য করে ফৌজদারী অপরাধ থেকে বাঁচতে চাইছেন, তারা কোনোদিন বাংলার স্বাধীনতার সংগঠন- ছাত্রলীগ করেনি। তারা কোনোদিন আওয়ামীলীগও করেনি।

আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, ১৯৭৪ সালে এরা প্রত্যেকেই সিরাজ শিকদার পার্টি অথবা গণবাহিনী করতো। সারা ময়মনসিংহ জনপদের আইন-শৃঙ্খলা নষ্ট করে, মানুষের মন সরকারের বিরুদ্ধে বিষিয়ে দিয়ে, ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট সৃষ্টি করে- জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে তাদের মনের বাসনা পূরণ করার পর প্রথমে খুনি মোস্তাকের দল ও পরবর্তীতে জিয়ার বিএনপি করেছে, কিন্তু ওরা অদ্যাবধি আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ করেনি।

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদেরই অবদান আজকের এই বাংলাদেশ। আজকের বাংলাদেশের রূপকার, বাংলার মহান স্রষ্টা- জাতির পিতা শেখ মুজিবর রহমান। আজকের বাংলাদেশ- বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও নির্দেশিত পথে অনুপ্রাণিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে রূপ দিয়েছেন।

পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণেই আমি ১৯৬৪ সাল থেকে  ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব থেকেই আমার নামে পাকিস্তানী প্রশাসন নিরাপত্তা আইনে মোট ৭টি মামলা দিয়েছিলো। আমি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা মাথায় নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ১৯৭১ সালে ২১শে এপ্রিল ময়মনসিংহ জেলায় সর্বপ্রথম পাকবাহিনী আমার কারণে আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। আমার পরিবার, আমার আত্মীয়-স্বজন অনেক কষ্ট সহ্য করেছে। দেশের স্বাধীনতার জন্য আমি বা আমার পরিবার সরকারের কাছ থেকে অদ্যাবধি কোনো সাহায্য-সহযোগিতা চাইনি।

বর্তমান প্রজন্মের কাছে হয়তো শুনতে বেশ খারাপ লাগবে, কিন্তু কি করবো, সত্য প্রচারে ইতিহাস যে খুব নিষ্ঠুর। মনে বড় কষ্ট হয়, মনে বড় পীড়া দেয় যখন দেখি- ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের দল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।পরদিন, অর্থাৎ- ১৬ই আগস্ট সেই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে ময়মনসিংহ জেলার তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ বিজয় মিছিল শেষে মিষ্টি বিতরণ করে। তখন, আমরা কয়েকজন প্রতিবাদী বন্ধুরা আড়াল থেকে সেই কলঙ্কিত বেইমানীর দৃশ্য দেখে নিজেদেরকে খুব অপরাধী অনুভব করি।

এরা ইয়াজিদের বংশধর, মীরজাফরের বংশধর। এরাই আবার ভোল পাল্টে দেশপ্রেমিক সেজেছে, আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশ করেছে।

সেদিন, মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগের কট্টর সমালোচক, ময়মনসিংহ জেলার রাজাকার শিরোমণি, যুদ্ধাপরাধী হিসেবে কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক, রাজাকার পুরোধা- আঃ হান্নানের ভাতিজা আঃ রহিম মিন্টু, রাজাকার আঃ কুদ্দুস, আলম মাষ্টার, বিএনপি নেতা নাজমুল হক তারা, মুসলিমলীগ নেতা এডঃ সিরাজুল হকের সন্তান ও ত্রিশাল থানার রাজাকার ওসি ফারুকের ভাই কামাল পাশা, ত্রিশাল থানার মুসলিমলীগ নেতা লতিফ চেয়ারম্যানের ভাতিজা নাজিমউদ্দিন এবং সর্বহারা ও গণবাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে উল্লেখিত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাতে এদের স্বরূপ চরিত্র ফুটে উঠেছে।

যারা পরিকল্পিতভাবে এই হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশ করেছিলো, তাদের চিহ্নিত করতে হবে সরকারী গোয়েন্দা সংস্থার নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে। তাহলেই প্রমাণিত হবে- কে আদর্শিকভাবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা।

                  বাংলার দুই বেঈমান – মীরজাফর                       খন্দকার মোশতাক

খুনি সিরাজ শিকদার নিজেই মুক্তিযোদ্ধা ছিলো। বঙ্গবন্ধুর খুনি- ফারুক, রশিদ, ডালিম, বজলুল হুদা, নাটের গুরু খুনি মোস্তাক, খুনিদের প্রধান সেনাপতি জিয়া –এরা সবাইতো মুক্তিযোদ্ধাই ছিলো। এদের বিচার হয়েছে।

 

যেসব অনুপ্রবেশকারী মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭৪ সালে বিভিন্ন জনপদে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, আদালতের নির্দেশে তদন্তের মাধ্যমে চার্জশিট প্রদান করে উপযুক্ত বিচারের সুব্যবস্থা করবেন, জনগণ তথা ভুক্তভোগী সবারই কাম্য।

[highlight color=”green”]পরিশেষে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবিনয় নিবেদন এই যে, ১৯৭১ সালের গণহত্যার বিচারের ন্যায়- ১৯৭৪ ও ২০০১ সালের হত্যাকাণ্ড এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তি- রাজাকার, আলবদর, আলশামস, গণতন্ত্রের শত্রু তথাকথিত সর্বহারা সিরাজ শিকদার পার্টি ও জাসদ সৃষ্ট গণবাহিনী এবং বিএনপি-জামাত জোটের সন্ত্রাসীদের বিচারের জন্য মানবতা বিরোধী আইনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে এদের উপযুক্ত বিচারকার্য সম্পন্ন করার জন্য আপনার বরাবর জোর আবেদন জানাচ্ছি।[/highlight]

 

(চলবে)

 

 

 

এ সংক্রান্ত পূর্বের খবর ঃ

১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহ জেলা জনপদে হত্যা, লুটতরাজ ও ধ্বংসাত্মক কাজে জড়িতরা আজ আইনের কাঠগড়ায় [ ১ম পর্ব ]

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ