spot_img

হারানো নৌপথ উদ্ধার করা হয়েছে : শাজাহান খান

ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ৮ নভেম্বর, ২০১৭ ।

                                                     ফাইল ছবি

 

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন বর্তমান সরকার আমলে এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪শ’ কিলোমিটার নৌপথ ও প্রায় তিন হাজার একর জমি পুন:উদ্ধার করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌ পথের মধ্যে ২০ হাজার ৪শ’ কিলোমিটার নৌ-পথ হারিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের গত মেয়াদে সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩টি নৌ-পথ খনন কাজ শুরু করা হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রী আজ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘চাঁদপুর-ইচুলী-হাজীগঞ্জ’ নৌপথটির খনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের যাতায়াত ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহণে নৌপথের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বল্প মূল্যে যাত্রী ও মালামাল পরিবহণে নৌযানের কোন বিকল্প নেই। নদীর পানি দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে শুধু বাঁচিয়েই রাখেনি বরং নদীতে উৎপাদিত মাছ আমাদের প্রোটিন চাহিদা পূরণের প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

শাজাহান খান বলেন, দুষণমুক্ত পানি, প্রবাহ বৃদ্ধি, নিরাপদ নৌপথ সৃষ্টি এবং নৌযাত্রা ঝুঁকিমুক্ত ও স্বাচ্ছন্দময় করতে সরকারের দায়িত্ববোধ থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার নৌ-সেক্টরের উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নদী খননের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের গত মেয়াদে ১৪টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে। সরকারের বর্তমান মেয়াদে ২০টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার চেয়ারম্যান মাহবুবউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মন্ডল, পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার এবং চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দুলাল পাটোয়ারী।

‘চাঁদপুর-ইচুলী-হাজীগঞ্জ’ নৌপথটির খনন হলে চাঁদপুর জেলার সদর, ফরিদগঞ্জ ও হাজীগঞ্জের সাথে বরিশাল, বন্দর নগরী নারায়গঞ্জ ও রাজধানীর সাথে নৌ-পথে সরাসরি নৌ-যোগাযোগ এবং সহজলভ্য পরিবহণ ব্যবস্থা পুনরায় চালু হবে। ডাকাতিয়া নদীর ৫০ কিলোমিটার অংশের ১৮ লাখ ঘনমিটার পলি ড্রেজিং করা হবে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ২৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে খনন কাজ সম্পন্ন করবে। নৌ-পথটি ১২০ ফুট প্রশস্ত ও ১০ফুট গভীরতায় খনন করা হবে। এতে সারাবছর ‘চাঁদপুর-ইচুলী-হাজীগঞ্জ’ নৌপথটি ৩ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট নৌপথ হবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ