মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও , জনতারআদালত.কম । ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ।

ঠাকুরগাওয়ের হরিপুর উপজেলার বকুয়ার ধীরগনজ বাজারে আলা আমিন সুপার কুলফি আইসক্রিম ও বকুয়া ডিপপাড়া গ্রামে রেজিয়া দই কুলফি আইসক্রিমের গড়ে উঠেছে কারখানা।
জীবন সংগ্রামের পরিষশ্রমের সাথে তাল মিলিয়ে ভাজাপোঁড়া, সুস্বাধু খাবারের প্রতি ঝোঁকে এখন অনেক বেশি সাধারণ মানুষ। ফলে চোখ বুলালেই মিলে বেকারি আইটেম। আর কাজের পরিশ্রম শেষে বা স্কুল কলেজ অফিস আদালত শেষ করে ক্লান্ত মন যখন ছটফট করে তৃষ্ণায় তখন ছেলে বড়ো সব বয়সের মানুষের পছন্দের খাদ্যটি হয় আইসক্রিম। সরেজমিনে দেখা যায়, অনুমোদনহীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করছে। নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব আইসক্রিম খাওয়ার ফলে শিশুদের স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। শিশুরা আমাশয় ডায়রিয়া, সদি-কাশি, জন্ডিসসহ নানা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। কারখানারগুলোর পরিবেশ একেবারেই নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়াই তৈরি হচ্ছে আইসক্রিম।
কারখানাতে দেখা গেছে, পানির হাউজগুলোর শ্যাওলা ও ধুলাবালি যুক্ত অপরিচ্ছন্ন পানি দিয়েই তৈরি হচ্ছে এই আইসক্রিম। এছাড়াও চিনির পরিবর্তে মেশানো হচ্ছে এক প্রকার রাসায়নিক পাউডার, আইসক্রিম পাউডারের পরিবর্তে জদ্দায় ব্যবহৃত দানাযুক্ত সাদা ভূষি মেশানো হচ্ছে। শিশুদের দৃষ্টি আকষণে মেশানো হচ্ছে কাপড়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকারের বিষাক্ত রং। জানা গেছে, হরিপুর উপজেলার বিভিন্নস্থানে আকষর্ণীয় মোড়কে প্যাকেটজাত করে অভিনব কায়দায় ভ্যানগাড়িতে মাইক লাগিয়ে উচ্চস্বরে নানা প্রকারের গান বাজিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকটে গিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে এসব আইসক্রিম।
এ বিষয়ে উপজেলার সচেতন মহল দাবি করে বলেন, প্রশাসনের কোনো ভূমিকা না থাকায় তারা ব্যবসা চলিয়ে যাচ্ছে। এবং প্রশাসনের কিছু অসাধু লোকের হাতে কিছু দিয়ে দিলে তারা এড়িয়ে যাই। হরিপুুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আঃ সামাদ বলেন, রং মেশানো, ময়লাযুক্ত আইসক্রিম খেলে নানা প্রকার পেটের পীড়াসহ জন্ডিস এমন কি কিডনি ও লিভারের মধ্যে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।


























