রবিউল আলম টুটুল , ময়মনসিংহ ,
জনতারআদালত.কম । ২১ জুলাই, ২০১৭ ।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দেশের ৩০০ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রাথমিক একটি তালিকা তৈরি করেছে বিএনপি।
বৃহত্তম এই রাজনৈতিক দলটি গত নির্বাচন বর্জন করলেও এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা বলে আসছে। যার ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে ৩০০ সংসদীয় আসনে ১ম, ২য় ও ৩য় ক্যাটাগরিতে কমপক্ষে ৯০০ জনের একটি প্রাথমিক তালিকাটি তৈরি করেছে বিএনপি ।
এই প্রাথমিক তালিকা নিয়েই দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে লন্ডনে আছেন দলটির ভবিষ্যত কান্ডারী তারেক জিয়ার বাসায় ।
সেখানেই বিএনপির কিছু জোষ্ঠ্য নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে যাবে ৩০০ সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত তালিকাটি বলে মনে করছেন দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ । দলে অনেক সিনিয়র ও জনপ্রিয় নেতা রয়েছেন। প্রত্যেকেই জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তবে যোগ্য প্রার্থীদেরই দল মনোনয়ন দেবে বলে জানান তারা।
বিএনপির দলীয় সূত্র থেকে পাওয়া প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী ময়মনসিংহের ৪ জেলার ২৪ সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন-
ময়মনসিংহ জেলা
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) : বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বিচারপতি টি এইচ খানের ছেলে আফজাল এইচ খান।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) : সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার, ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল বাসার আকন্দ, তারাকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার।
ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) : বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন, আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুল হক, গৌরীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান তৈয়বুর রহমান হিরণ।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর) : সাবেক মন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক এমপি দেলোয়ার হোসেন খান দুলু, জেলা দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মোহাম্মদ ওয়ালিদ।
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) : সাবেক মন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম মোশাররফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন বাবলু, মুক্তাগাছা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকারিয়া হারুন, মুক্তাগাছা পৌর মেয়র শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাবেক এমপি আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জেলা বিএনপির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দীন আহমেদ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাত-জামাই আখতারুল আলম ফারুক, উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আজিজুর রহমান, জামায়াত নেতা অধ্যাপক জসিমউদ্দিন।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, ত্রিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) : সাবেক এমপি শাহ নুরুল কবির শাহিন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি লুৎফুল্লাহ হেল মাজেদ বাবু, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) : সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরী, তার ভাতিজা লন্ডন প্রবাসী ইয়াসের খান চৌধুরী, সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড্যাব নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল কাসেম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি এবি সিদ্দিক, সাবেক এমপি ফজলুর রহমান সুলতানের ছেলে মুশফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আক্তারুজ্জামান বাচ্চু।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) : ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের সাবেক মহাসচিব শিল্পপতি আলহাজ মোর্শেদ আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।
নেত্রকোনা জেলা
নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) : বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক এমপি গোলাম রব্বানী, দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট রাশেদুল ইসলাম, সাবেক যুবদল নেতা সেলিম রেজা, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট।
নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) : জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. আনোয়ারুল হক, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আরিফা জেসমিন নাহীন, এডভোকেট খোরশেদ আলম মিয়া, এটিএম আবদুল বারী ড্যানি।
নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, শিল্পপতি সৈয়দ আলমগীর, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহক্রীড়া সম্পাদক রায়হান আমিন রনি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হাসান বিন শফিক সোহাগ, জেলা বিএনপির সদস্য ও ডিসিসিআইর সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হায়দার আহমেদ খান।
নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) : সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তার স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী।
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) : সাবেক এমপি মরহুম ডা. মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী বিএনপি নেত্রী রাবেয়া আলী, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবু তাহের তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান তালুকদার।
শেরপুর জেলা
শেরপুর-১ (সদর) : জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী, জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ছেলে ওয়াসিউজ্জামান।
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) : জেলা বিএনপির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী, সাবেক সচিব ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হায়দার আলী, নালিতাবাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান রিপন।
শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতী-শ্রীবর্দী) : সাবেক এমপি জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল।
জামালপুর জেলা
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) : সাবেক এমপি রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাবেক আইজিপি ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুল কাইয়ুম, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল জামালপুর জেলা শাখা সভানেত্রী সাহিদা আক্তার রিতা।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) : সাবেক এমপি ও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাবু, সাবেক সচিব ও চেয়াপার্সনের উপদেষ্টা এ এস এম আব্দুল হালিম।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) : মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) : সরিষাবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম।
জামালপুর-৫ (সদর) : সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী মো. সিরাজুল হক, সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।


























