ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
সিনেমা, সিরিয়াল নয় দর্শক এখন ওয়েব সিরিজ দেখতে বেশি আগ্রহী। টান টান উত্তেজনায় ভরা কয়টি এপিসোডের মাধ্যমে একটি গল্পের উপস্থাপনা আকর্ষণ করছে দর্শকদের। আর এই কারণেই ক্রমেই জনপ্রিয়তা বাড়ছে ওয়েব সিরিজের। এমনই একটি জনপ্রিয় সিরিজ ‘ফ্যান্টাসি ড্রামা সুইট টুথ’।
‘ফ্যান্টাসি ড্রামা সুইট টুথ’ গল্পের পটভূমি একেবার আলাদা। ট্রেলার জানান দিচ্ছে, সিরিজের কেন্দ্রে রয়েছে একটি হাই ব্রিড চাইল্ড। হাই ব্রিড চাইল্ড শব্দের সঙ্গে পরিচিত না হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ, এখানে এমন এক বাচ্চার গল্প যার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া কঠিন। এই বাচ্চাটির মাথায় রয়েছে হরিণের মতো শিং, কান দুটি জন্তুর মতো বড়। এই বাচ্চার জন্মের পিছনে রয়েছে একটি ভাইরাস।
হট করে শহরে একটি ভাইরাসের তান্ডবে জনজীবন শূন্য হতে শুরু করে। সকালে ঘুম ভেঙে উঠে শহরবাসী দেখেন চারিপাশের সব বদলে যাচ্ছে। ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে প্রতি মুহূর্তে প্রাণ হারাচ্ছে শয়ে শয়ে মানুষ। এই ভাইরাস কী, কোথা থেকে এল, কীভাবে এর থেকে মুক্তি মিলবে তার উত্তর ছিল না কারও কাছে। তাই বাধ্য হয়ে বোমা ফাটিয়ে সকল আক্রান্তকে মেরে ফেলা শুরু হয় যাতে ভাইরাস আর না ছড়াতে পারে। এমন সময়ই শহরে জন্মানো বাচ্চারা ছিল হাই ব্রিড বাচ্চা। তাঁরা শিং, বড় কান, পিঠে ডানা নিয়ে জন্মায়। এমনভাবে জন্ম হয় এই ছেলেটির। বাকিরা মারা গেলেও তাঁকে অনেক কষ্টে তার বাবা শহর থেকে দূরে এক জঙ্গলে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। কারণ, মানুষ দেখতে পেলে তাকে মেরে ফেলবে।
জিম মাইকেল পরিচালিত ‘ফ্যান্টাসি ড্রামা সুইট টুথ’-এর গল্প একেবারে আলাদা। সিরিজ দেখে উপভোগ করতে পারেন আপনি অন্য জগতে রয়েছেন। প্রথম সিরিজে দেখা যাবে এই ভাইরাস দমনের জন্য মানুষের আপ্রাণ চেষ্টা। ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে কীভাবে সবাই লড়ে চলেছেন। তবে, ভাইরাস থেকে সমাধান সূত্র মিলবে দ্বিতীয় সিরিজে। এই হাই ব্রিড বাচ্চাটি কীভাবে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই লড়বে সেই নিয়ে গল্প। ৮ জুন মুক্তি পেয়েছে সিরিজটি।


























