spot_img

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় জামালপুরে আওয়ামীলীগের আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা [ ভিডিও ]

রবিউল হাসান লায়ন ও কাওসার আহমেদ, জামালপুর, জনতারআদালত.কম । ৮ নভেম্বর, ২০১৭ ।

জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) কর্তৃক স্বাধীনতার মহান স্থপতি মুক্তিযোদ্ধের সর্বাধিনায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব সাহিত্যের দলিল (ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারী হেরিটেজ) হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে ৮ নভেম্বর জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ একটি আনন্দ র‌্যালী বের করে।

র‌্যালীটি নতুন হাই স্কুল থেকে শুরু করে শহর প্রদক্ষিণ করে গেইটপাড় হয়ে রেলওয়ে স্টেশন এসে শেষ হয়। র‌্যালীর নেতৃত্ব দেন বন্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি। র‌্যালী শেষে রেল স্টেশন প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ।

                                  ভিডিও ঃ কাওসার আহমেদ

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বন্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব রেজাউল করিম হীরা এমপি, ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি, পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু বিজন কুমার চন্দ্র। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বন্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের এই ভাষণ বঙ্গবন্ধু হঠাৎ করেই তিনি দেননি। ১৯৬৬ সালে আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবি জাতির সামনে তুলে ধরেন। সেই থেকেই শুরু হয় এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য আন্দোলনের ধাপ। যার ধারাবাহিকতায় প্রকাশ পায় ১৯৭১ সালে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের মাধ্যমে। বাংলার ৩০ লক্ষ মানুষ বঙ্গবন্ধুর ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে এদেশকে স্বাধীন করার জন্য মুক্তিযোদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশ।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, জামালপুরের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার প্রায় ৪শত কোটি টাকা ব্যয়ে জাহেদা শফির মহিলা কলেজ থেকে সফি মিয়া বাজার পর্যন্ত একটি অভারব্রিজ করার পরিকল্পনা করেছেন। যা অল্পকিছুদিনের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। শহরকে একমুখী না রেখে বিসিক শিল্প নগরি থেকে মেলান্দহ-ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জের মানুষের সুবিধার জন্য একটি বাইপাস রাস্তা করা হয়েছে। এছাড়া হেরিটেজ পার্ক সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সরকার করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ