কামাল হোসেন, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি , জনতারআদালত.কম । ৫ নভেম্বর, ২০১৭ ।

ময়মনসিংহ ত্রিশালের ৮নং সাখুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ গোলাম ইয়াহিয়ার বিরুদ্ধে ৪০ দিনের কর্মসূচী ভি.জি.ডি কার্ড সহ হত দরিদ্র সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিনামূল্যে প্রদানের জন্য সকল সরকারী কর্মসূচীতে তার ব্যক্তিগত দালাল কবির, দিদার, মালেক, মজিবর, কালামের মাধ্যমে অর্থ-লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।চেয়ারম্যানের সাঙ্গ-পাঙ্গের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে না চাইলেও অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিবেদক ইউনিট মাঠ পর্যায়ে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সরেজমিনে তদন্ত করতে গেলে অভয় দেয়া হলে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানের নানান দূর্ণীতি অনিয়মের কথা ব্যাক্ত করেন।
নাম প্রক্যাশ্যে অনিচ্ছুক অনেকে অভিযোগে বলেন- চেয়ারম্যানের/মেম্বারদের দালাল সেন্টিগ্রেডের মাধ্যমে ভি.জি.ডি কার্ড প্রতি ৪/৫ হাজার টাকা অগ্রীম জমা দিয়ে চূড়ান্ত তালিকায় নাম উঠাতে হয়েছে। চেয়ারম্যানের দালাল কবিরকে ৪৫০০/- টাকা দেয়ার পর কার্ড পান মোছা: পারুল আক্তার (৩৪) স্বামী- মো: আক্তার হোসেন (ভি.জি.ডি কার্ড নং- ১৫৬)। অনেকে মনে করেন- চেয়ারম্যানের এসব দূর্নীতি কার্মকান্ডের সাথে সমন্বয় করতে নামদারী কিছু সাংবাদিক সহযোগীতা করে থাকেন।চেয়ারম্যান দালাল নির্ভর হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ন কবীর সরকার বলেন বর্তমান চেয়ারম্যান ৪০ দিনের কর্মসূচীর কোন কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। তার কাছের মানুষ ব্যতীত টাকা ছাড়া কেউ ভি.জি.ডির কার্ড পায়নি বলেও অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন- ত্রিশালের অবহেলিত ৮নং সাখুয়া ইউনিয়নের সুবিধা বঞ্চিত সাধারণ মানুষ চরম দৈন্যদশায় দিনাতিপাত করছেন।
মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে তার ব্যক্তি স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে চেয়ারম্যান তার মতাদর্শের লোকজন নিয়ে এসব কাজ করে যাচ্ছেন। মাঠ পর্যায়ের সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিডিও প্রামান্য চিত্র চেয়ারম্যানকে প্রদর্শন করলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানায়। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ মানুষের দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে সমাজ দূর্নীতি মুক্ত আর এসব কর্মসূচীর সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব হত।


























