ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ২৭ আগষ্ট, ২০১৭ ।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।রোববার মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস, দেওহাটা এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ভোর রাত থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট শুরু হয়। যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো মহাসড়ক।
টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় যেতে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ১০-১৫ ঘণ্টা। গত কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের অধিকাংশ স্থান থেকে পিচ ঢালাই উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এক দিকে বৃষ্টি অপর দিকে ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় তীব্র যানজটের কারণে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
আজ রবিবার মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে দেখা গেছে, ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় যানবাহন আটকেপড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার সড়ক এখন খানা খন্দকে ভরা।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, চার লেনের কাজ করার জন্য মীর আক্তার হোসেন জেবি ও আব্দুল মোনায়েম কম্পানি ২০১৫ সালে কাজ শুরু করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় এবং মহাসড়কের দুই পাশে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি ফেলার কারণেই এ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট এখন নিত্য দিনের জন্য পরিণত হয়েছে। যানজট নিরসনের জন্য তাদের অধিকাংশ সময় রাস্তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।
যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী, নারী, বৃদ্ধ ও শিশুদের দুর্ভোগের শেষ নেই। কিছু কিছু যানবাহন বিকল্প পথ হিসেবে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ রোড হয়ে রাজধানী ঢাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে পরিবহন শ্রমিকরা জানিয়েছেন। উত্তরাঞ্চলের ২২ টি জেলার যানবাহন এবং টাঙ্গাইল, জামালপুর ও শেরপুর জেলার যানবাহন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে আসছে। যানজটে স্থবির হয়ে পরেছে পুরো মহাসড়ক।
মহাসড়কে যানজটের অন্যতম কারণ: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরুভর্তি ট্রাক চলাচল, রাস্তায় গাড়ির চাপ, বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় খানাখন্দের কারণে এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যানজট নিরসনের জন্য ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যানবাহন ধীর গতিতে চলছে।


























