মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও ,
জনতারআদালত.কম , ২৫ জুলাই, ২০১৭

ঠাকুরগাঁও শহরের হাসান এক্স-রে ক্লিনিক এন্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতাল নামে একটি বে-সরকারি ক্লিনিকে ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখে ভুল করে অন্য ড্রপ প্রয়োগ করে চোখ নষ্ট হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন। ২৫ জুলাই মঙ্গলবার সকালে শহরের হাসান জেনারেল হাসপাতাল ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে।
নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভূল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের কন্যা। নবজাতকের অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে এই ক্লিনিকে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে। পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে নার্সরা সঠিক ভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন।
মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে। এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিক কর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।
অপরদিকে হাসান জেনারেল হাসপাতাল কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা: সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেওয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন। পরে তাৎক্ষনিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।
পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা: নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখ যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক মানিক হোসেন জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহণ করবে।


























