spot_img

ঠাকুরগাঁওয়ে নারী শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি

মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও , জনতারআদালত.কম । ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ।

ঠাকুরগাঁও জেলার এলজিইডি’র কাজে নিয়োজিত নারী শ্রমিকরা মুজুরি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। আর কর্তৃপক্ষ বলেছেন, প্রকল্পের মাধ্যমে এসব নারী শ্রমিদের বেতন দেয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর চাইলে তাদের বেতন বৃদ্ধি সম্ভব।

ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর, পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী ও সদর উপজেলাসহ ৫টি উপজেলার রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট ও হাট-বাজার ভাঙ্গন রোধে মাটি ভরাট ও ছোট ছোট ছোট সংস্কারের কাজে নিয়োজিত এই নারী শ্রমিকরা। জেলার ৫৩টি ইউনিয়নে এলজিডির আওতায় আরইআরএমপি প্রকল্পের মাধ্যমে চুক্তিভিক্তিক কাজ করে আসছে ৫৩০ জন নারী শ্রমিক। দৈনিক মজুরি ১৫০ টাকা।

সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের এ প্রকল্পের আওতায় কর্মরত নারী শ্রমিক সখিনা বেগম, রাশেদা খাতুন, জরিনাসহ বেশ কয়েকজন জানান, আমরা এলজিইডির মাধ্যমে নিয়মিত কাজ করছি ঠিক কিন্তু দৈনিক হাজিরা অনেক কম। ১৫০ টাকা মুজুরি দিয়ে কী হয়? ১ কেজি চালের দামই তো ৫০ টাকা। অন্যান্য খরচ করতে গেলে ঋণ করতে হয়। প্রকল্পের বাইরে কাজ করলে নারী শ্রমিকরা দৈনিক মুজুরি পায় ২৫০/৩০০ টাকা। সেই তুলনায় আমাদের মজুরি নেই বলেই চলে। মজুরি বাড়াতে আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি। মজুরি বাড়ানো হলে আমরা একটু ভালভাবে চলতে পারবো।

জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) তথ্য মতে, জেলার ৫৩টি ইউনিয়নে ১০ জন করে নারী শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। দুযোর্গে যেসব রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যায় তাৎক্ষণিকভাবে ঠিক করতে তাদের নিয়োগ হয়। চলতি অর্থ বছরে জেলার ৫টি উপজেলায় ৫৩০ জন নারী শ্রমিক কাজ করছে। এই অর্থ বছরে চার বছর পূর্ণ হলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে। তখন আবার নতুন করে শ্রমিক নিয়োগের কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী কান্তেশ্বর বর্মন জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশে আমরা শ্রমিক নিয়োগ করি। মুজুরি তারাই নির্ধারণ করেন। তবে প্রকল্পের আওতায় শ্রমিকরা কাজ করলে তাদের বেকার থাকার সম্ভাবনা কম। আর বাইরে কাজ করলে একদিন করে অন্যদিন বসে থাকে। সেই তুলনায় ভাল। তাদের মজুরি নিয়ে যে অভিযোগ সে বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জানাবো।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ