রবিউল হাসান , জামালপুর ,
জনতারআদালত.কম , ১০ জুলাই, ২০১৭ ।

গুরুতর আহত অধ্যক্ষকে ভাংচুর করা অফিসে ক্রন্দন করতে দেখা যাচ্ছে। পাশে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাতীয় নেতৃবৃন্দের ভাংচুর করা ছবি দেখাচ্ছেন।
জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের শরিফপুর বাজার সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী শরিফপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষের উপর হামলার পর তার অফিসে রক্ষিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ অফিস ভাংচুরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা যায়,প্রতিদিনের মত গতকাল রবিবার সকালে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ওমর ফারুক শরিফপুর বাজার অতিক্রম করে অফিসে ঢুকার পথে তার গতিরোধ করে অতর্কিতভাবে পরিকল্পনা অনুযায়ী মালেক হাজীর নেতৃত্বে হামলা করে বাজার সংলগ্ন বেপারী পাড়ার মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র ডাক্তার ওয়াজেদ আলী,তার পুত্র শামীম,ইমরান,ভাই আব্দুল লতিফ গং। অধ্যক্ষের উপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা তার অফিসে ঢুকে অফিসে রক্ষিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ অফিস ভাংচুর করে।

এসময় অধ্যক্ষকে সন্ত্রাসীদের কবল থেকে বাঁচাতে এসে ডান হাত হারান শরিফপুর বাজার সংলগ্ন দুতলা বিশিষ্ট আহলে হাদিস জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ নুরুল হক মজনু। ঘটনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মাদ্রাসায় জমায়েত হতে থাকে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন,অত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম আলম,মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জামালপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর বিজু আহম্মেদ। অতপর এসআই এস এম তরিকুলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে হাজির হন। গুরুতরভাবে আহত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও আহলে হাদিস জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে ১৬ জুন শরিফপুর রেল লাইন সংলগ্ন মসেিজদে ঢুকে একই চক্র হুমকিধমকী প্রদান করে বলে অভিযোগ রয়েছে ।
এদিকে অধ্যক্ষ মহোদয় বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোর্দাছীন জামালপুর সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় সংগঠনের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জেলা অফিসে জরুরীভাবে মিলিত হয়ে ঘটনার নিন্দা,প্রতিবাদ,সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান। তারা অধ্যক্ষের হামলা কারীদের বিচারের দাবীতে কর্মসূচী ঘোষনা করবেন বলেও জানান। । এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের শাস্তি ও গ্রেফতারের দাবীতে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান,মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি।



























