spot_img

ইসলামপুরবাসী শাহজাহান আলী মন্ডলকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায়

রবিউল হাসান লায়ন , জামালপুর, জনতারআদালত.কম । ১৫ অক্টোবর, ২০১৭ ।

                                                মোঃ শাহজাহান আলী মন্ডল

ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দুঃখ দারিদ্রতা অশিক্ষা অনাহার অর্ধহারী মানুষের হাহাকার প্রত্যন্তচরাঞ্চলের সভ্য জনসম্পৃক্ততা থেকে বিচ্ছিন্ন এক অজ পাড়া গায়ে জন্ম গ্রহন করে শোককে শক্তিতে পরিনত করেছেন। দেখেছেন প্রকৃতির বৈরী প্রভাব অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, বারবার বন্যার আক্রমন ও সর্বপরি যমুনা-ব্রহ্মপুত্র ভাঙ্গনে নি:স্ব ঘরবাড়ি থেকে পথ চলা। পাশাপাশি আওয়ামী-পরিবারের সদস্য হওয়ায় নৌকার পক্ষে ১৯৭৯ সালে নির্বাচন করায় স্বৈর গোষ্ঠির রোষানলে পড়ে প্রায় একযুগ বিভিন্ন মামলা ও জেল-জুলুমের মধ্যে দিনাতিপাতান্তে ৮০র দশকের শেষের দিকে দীর্ঘ ৪বছরের কারাভোগের পর মুক্তিলাভ করেন।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ক্ষেত্রে উচ্চতর ডিগ্রী না নিতে পারলেও থেমে নেই তার উদ্যম আর মনোবল।প্রতিটি দিন প্রতিটি রাত শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত শত শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করে চলিতেছেন বিরতিহীন। প্রতিমুহুর্তেই যেন তার গতি বৃদ্ধিই পাচ্ছে। যার গুণের কথা বলে শেষ করা যাবেনা, তিনি গরিবের বন্ধু, একজন ভালো মানুষ । অসাম্প্রদায়িক ও জনদরদী মুক্তিুযদ্ধের পক্ষে একজন নেতা। তিনি অসমসাহসী। জনকল্যাণে কাজকরাই তার নেশা । সজ্জন রাজনীতিক ও জনদরদী এই মানুষটি সমাজ উন্নয়নে নিজেকে জড়িয়েছেন জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই। তিনি আর কেউ না সকলের পরিচিত, নয়নের মনি সবার আপন জন সদা হাস্যজ্জল মোঃ শাহজাহান আলী মন্ডল।

নির্লোভ, নিরহঙ্কার সব সময়ধীর-স্থির, সংযত একজন মানুষ তিনি। ভাবনায় সদা মানুষের কল্যাণ। তিনি তার সদালাপ ও আচরনের কারনে সকলের কাছে সম্মানিত। কোনো প্রলোভন বা প্রাপ্তির মোহ কখনো তাকে আচ্ছন্ন করেনি। কোনো হুমকি ও নির্যাতন তাকে আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত করতে পারেনি। তারমত উদার, সৎ, প্রকৃত দেশ প্রেমিক রাজনীতি করা জনীতিতে বড়ো বেশি দেখা যায়নি। তিনি এলাকার মধ্যবিত্ত ও নিম্ন বিত্তদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়েছেন। নিজ গুণেই তিনি দলের পরিচয়কে ছাপিয়ে জনতার নেতার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন। জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের চরদিঘাইর মন্ডলপাড়া গ্রামে সভ্রান্ত মুসলিম মন্ডল পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। ছাত্র অবস্থায়ই তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত হন। নেতৃত্ব দেন বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে। তিনি দলের জন্য সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত

অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। আমৃত্যু করে যাবেন। ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ, আরাম-আয়েশকে বিসর্জন দিয়ে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে। শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য গরিব মানুষসহ সমাজের সব মানুষের মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন তিনি । সকলের কল্যাণের জন্য তিনি মানুষকে সচেতন ও সংগঠিত করে চলেছেন। প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করেছেন পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে। এটাকে তিনি জীবনের একমাত্র ব্রত হিসেবে নিয়েছেন। সৎ সাচ্চা মানব দরদী দেশপ্রেমিক রাজনীতিকের প্রয়োজনীয়তা বড় বেশি ।যেখানেই ডাক পেয়েছেন ,আহবান পেয়েছেন কাজ করার, সেখানেই উপস্থিত হয়েছেন কাজ করার জন্য।

৯০ এর দশকের শুরু থেকেই ব্যবসায় সফলতার লাল সূর্য দেখতে পান সততা-নিষ্ঠা, সরলত্‌ আর পরিশ্রম দিয়ে ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়েছেন।প্রতিষ্ঠা করেন এস.আর. এন্টারপ্রাইজ বিডি (প্রাঃ) লিমিটেড, রুবি হাউজিং লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট, আমদানী-রপ্তানী, ফ্রেইট-ফরওয়ার্ডিং ও হাউজিং ব্যবসায় জয় করেছেন ব্যবসায়িক মহলের মনোজগত। যে কারনে সেখানেও যথেষ্ঠ সুনাম কুড়িয়েছেন। বিশেষ করে দৃষ্টান্ত দেওয়া যায় ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশন সংগঠনটি সারা দেশে বিস্তৃত। সেখানে কার্যকরীসদস্য থেকে প্রচারসম্পাদক, সাধারনসম্পাদক ও সভাপতির সর্বোচ্চ পদ পর্যন্ত অলংকৃত করেছেন। সেখানেও রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম।সহ¯্রাধিক ইসলামপুরের মানুষের প্রত্যক্ পরোক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। পুনরায় নির্বাচন হলে আবারও নিশ্চিত সভাপতি হবেন ভেবে প্রতিপক্ষ আইনর অযুহাতে পাঁচ বছর প্রলম্বিত করছেন নির্বাচনকে । সেখানেও সীমাহীন ধৈর্য নিয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে ধরে রেখেছেন ব্যবসায়ি সমাজকে।

দীর্ঘদিন হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বিমানবন্দর থানা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও দীর্ঘ এক যুগের ও অধিক সময় ধরে জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ এর উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য পদ অলংকৃত  করেছেন। ব্যবসায়ী রাজনৈতিক দুটি পক্ষই সমান্তরালভাবে সুন্দর সমন্বয় করতে পেরেছেন বলেই সার্বিক ভাবেই সুনাম রয়েছে সীমাহীন। যা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

নব্বই এর দশক থেকেই নদী ভাঙ্গন কবলিত চরাঞ্চলের আত্বীয় স্বজন মসজিদ মাদ্রাসা সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে আথির্ক  সহায়তার প্রয়োজন হয়েছে তিনি তার সামর্থের মধ্যে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে রেখেছেন এবং নিজের কাজই মনে করেছেন। সে কারনেই এলাকার মানুষের দাবীর  প্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার প্রতিযোগিতায় প্রার্থী হয়েও বঞ্চিত হন। কিন্তু থেমে থাকেনি মানুষের সম্পৃক্ততা থেকে।

২০০১ সালে প্রার্থী হয়েছেন , ২০০৮ সালেও প্রার্থী হয়েছেন। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে ,২০০১-২০০৪ সাল পর্যন্ত ২০০১ এ দ্বিধা  বিভক্ত ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগকে সাংগঠনিক ও আর্থিক ভাবে ব্যাপক সহায়তা করেন। বিশেষ করে বর্তমান সাংসদ ফরিদুল হক খান দুলাল ও অন্যান্য সঙ্গী সহ ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত হত্যা মামলায় আটক থাকার সময় শাহজাহান মন্ডলের সহায়তা কামনা করেন। সে অবস্থা থেকে সার্বিকভাবে সহায়তায় ২০০৪ সালে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বিপুল ভোটে  মেয়র নির্বাচনে সচেষ্ট হন। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জনাব শাহজাহান আলী মন্ডলের নেতৃত্বে প্রতিটিওয়ার্ড ইউনিয়ন এবং উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ ব্যাপক সভা-সমিতি, ওয়াজ-মাহফিল, ইফতার মাহফিল, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬  সহযোগিতার হাত অব্যাহত  রেখেছেন, তাই তাকে  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী এবং এমপি হিসেবে সকলের র্দীঘদিনের দাবী।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ