ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১৪ অক্টোবর, ২০১৭ ।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। একটা স্বচ্ছ ভোটার তালিকা আমরা তৈরি করতে পেরেছি। মানুষ তার ভোটের অধিকার প্রয়োগ করবে স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষভাবে। মানুষের ভোটের অধিকার যেন প্রতিষ্ঠা পায়- সে ব্যবস্থা আমরা করছি।
শনিবার রাতে সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথসভার শুরুতে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে আনতে আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফোন করেছি, নিজে যেচে ফোন করি। ধরার পরে যে ঝাড়িটাড়ি মারল, তা বলতে চাই না। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। আমি বলেছিলাম সর্বদলীয় সরকার করব, আপনি (খালেদা জিয়া) যে মন্ত্রণালয় চান তা দিতে রাজি আছি। কিন্তু নির্বাচনে এলো না। নির্বাচনে না এসে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা শুরু করল। তবে জনগণ তাদের রুখে দিল আর এজন্য নির্বাচনটা হলো, আমরা আবার ক্ষমতায় এলাম।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যতক্ষণ শ্বাস আছে, ততক্ষণ দেশের ও গণতন্ত্রের জন্য কাজ করে যাব।
তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, সেটাই আমরা চাই।”
এজন্য তারা নির্বাচনকালীন ‘সহায়ক সরকারের’ দাবি জানালেও সে বিষয়ে সাড়া দিচ্ছে না আওয়ামী লীগ। সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে- বলছেন তারা।
ইলেকট্রনিক ভোটিংয়ের (ইভিএম) পক্ষে অবস্থান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা পৃথিবীর অনেক সভ্য দেশে আছে। সেখানে একজন একটা ভোট দিতে পারে।”
সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এসেছিল বলেই দেশ উন্নত হচ্ছে। পৃথিবীতে এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে পৃথিবীতে যেভাবে কলঙ্কিত করা হয়েছিল, তা এখন আমরা মুছতে পেরেছি।
আগামী ১৮ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপে দল থেকে যেসব প্রস্তাব দেওয়া হবে, তা চূড়ান্ত করতে এই যৌথ বৈঠক হয়।


























