ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
টাইগারদের স্বল্প পুঁজির রান টপকাতে পারল না অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশি বোলারদের সামনে যেন অজি ব্যাটসম্যানদের অসহায় আত্মসমর্পণ।
১৩২ রানের ছোট্ট লক্ষ্যের পেছনে ছুটে শেষ পর্যন্ত ১০৮ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারীদের ইনিংস। আর তাতেই ২৩ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে টিম বাংলাদেশ। যা টি-টোয়েন্টি ফরমেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয় টাইগারদের।
বাংলাদেশের দেয়া ১৩২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম তিন ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা।
প্রথম ওভারে শেখ মেহেদী হাসান শূন্য রানে বোল্ড করে ফেরান অ্যালেক্স ক্যারিকে। পরের ওভারে নাসুম আহমেদ ফেরান ৯ রান করা জশ ফিলিপকে। তৃতীয় ওভারে মইসিস হ্যানরিক্সকে ১ রানে বোল্ড করে ফেরান সাকিব আল হাসান।
১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড আর মিচেল মার্শ ইনিংস মেরামতের চেষ্টা শুরু করেন। দুজনে রান তুলছিলেন বটে, তবে বাংলাদেশি বোলারদের সামনে সহজ ছিলেন না। ২৩ বলে ১৩ রান করা ম্যাথু ওয়েডকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ।
লেগ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল পুল করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে মুস্তাফিজের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন ওয়েড। ৪৪ বলে ৪র্থ উইকেট জুটিতে আসে ৩৮ রান। ১৪তম ওভারে অ্যাস্টন আগারকে ফেরান নাসুম আহমেদ (৭)।
শেষ ৫ ওভারে চাই পাক্কা ৫০ রান। আস্কিং রান রেট ঠিক দশ। বিগ শট খেলতে গিয়ে নাসুমের চতুর্থ শিকার মার্শ।
এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টি দল থেকে একাদশে আসে ২ পরিবর্তন। আর তামিম-লিটনের অনুপস্থিতিতে ওপেনিংয়ে নামেন সৌম্য-নাঈম জুটি। তবে ডট বল খেলার প্রবণতায় বাড়তে থাকা চাপ কমাতে গিয়ে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই সাজঘরে ফেরেন সৌম্য। তবে নাঈম শেখের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে গুটি গুটি পায়ে স্কোরবোর্ডে রান তোলে বাংলাদেশ।
২ চার ২ ছয়ে ২৯ বলে ৩০ করে ফেরেন নাঈম। এরপর টাইগার অধিনায়ক মাহামুদউল্লাহ রিয়াদ ফেরেন ২০ বলে ২০ করে। আশার বাতি হয়ে থাকা সাকিবকে সঙ্গ দিতে নামা নুরুল হাসান সোহানও এদিন রানের দেখা পাননি। ফিরেছেন ৩ রানে।
সোহানের পথেই হেঁটেছেন মাত্র ২ ম্যাচ খেলা শামীম হোসেন। স্টার্কের ৫০তম টি-টোয়েন্টি উইকেটে পরিণত হয়ে এই ইয়ংস্টার ফিরেছেন ৪ রানে। তবে এক প্রান্ত আগলে থাকা সাকিবের কারণে মাঝারি মানের রান তোলার ব্যাপারে আশাবাদী ছিল ক্রিকেট সমর্থকরা।
সেই আশায় গুঁড়েবালি। সাকিবও সাজঘরের পথ ধরেন ব্যক্তিগত ৩৬ রানে। এরপর শেষের দিকে আফিফ হোসেনের ১৭ বলে করা ২৩ রানেই মূলত ১৩১ রান স্কোরবোর্ডে জমা হয় টাইগারদের। অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন জশ হ্যাজেলউড।


























