ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১২ আগষ্ট, ২০১৭ ।

চোরাচালানের মাধ্যমে আনা প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ডায়মন্ড আটকের ঘটনায় মূল্যবান সামগ্রী কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখায় আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে পাঁচটি মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।
এছাড়া স্বর্ণালঙ্কার মজুদ, মেরামত, তৈরি, বিক্রিসহ বিভিন্ন পর্যায়ে সংঘটিত ভ্যাট ফাঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটগুলো কাজ করছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি চোরাচালান, শুল্ক ফাঁকি, মানিলন্ডারিং, ভ্যাট ফাঁকি, আয়কর ফাঁকি ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য দুদক আইনে ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে এনবিআরের মাধ্যমে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে এতে বলা হয়েছে।
শনিবার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এম. আর জামান বাধন ও বিজয় কুমার রায় বাদী হয়ে গুলশান থানায় দুটি, শাহরিয়ার মাহমুদ বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি, মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি এবং আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে উত্তরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযুক্তরা হলেন আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ।


























