মাহমুদুল হাসান রতন, ময়মনসিংহ ,
জনতারআদালত.কম , ১১ জুলাই, ২০১৭ ।

আসছে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাবেন না বিতর্কিত মন্ত্রী- এমপিরা। এ তালিকায় কপাল পুড়ছে বর্তমান সংসদে থাকা শতাধিক এমপির। যে সব এমপি তাদের এলাকায় গ্রহনযোগ্যতা নাই, যারা তৃনমুল নেতা-কর্মীদের দ্বিধাবিভক্ত করেছেন, ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন তাদের নৌকায় তুলবেন না আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারকরা মনে করছেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুলক। বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনে অংশ
নেবে। সে কারনেই হিসাব নিকাশ করে এই নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও এলাকায় গ্রহন যোগ্য ব্যাক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার মাধ্যমে ভোটের আগেই এগিয়ে থাকতে চায় ক্ষমতাসিন দলের নীতি নির্ধারকরা।
এ ক্ষেত্রে নেতা-কর্মীদের কাছে ভাল ইমেজ, দক্ষ সংগঠক, সততা, শিক্ষিত, এমন যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থীরাই মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন বলে জানান, দলের এক প্রেসিডিয়াম সদস্য। প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় ও দলীয় সূত্র জানাযায়, দলের সভানেত্রী এখন থেকেই প্রত্যেক এলাকার খোজ খবর নেওয়া শুরু করছেন। বর্তমান এমপি-মন্ত্রীদের আমলনামা সংগ্রহ ছাড়াও তিনি সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ব্যাপারেও খোজ খবর নিচ্ছেন। কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে কে বাদ পড়বেন এটিও যেমন দেখছেন তেমনি চলমান সংসদের যে সব এমপিরা নেতিবাচক কর্মকান্ডের কারনে আগামী নির্বাচনের ফলাফলে কি প্রভাব পড়তে পারে সে বিষয়টিও তিনি পর্যালোচনা করছেন।
এদিকে ময়মনসিংহ – ৩ (গৌরীপুর) আসন থেকে আলোচনায় আছেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রিয় কমিটির সহ- সাধারন সম্পাদক নাজনীন আলম। ক্ষমতাসিন দলের বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে ইতিমধ্যে এলাকায় সামাজিক কর্মকান্ড, সাধারন মানুষের আস্থা খুড়িয়ে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন আকাশছোয়া জনমত। ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রেমে মজ্জিত এই নেত্রী দলের জন্য নিবেদিত প্রান। গৌরীপুরের মানুষের একমাত্র শেষ আশ্রয়স্থল নাজনীন আলম বলে আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, এলাকার সাধারন ভোটারসহ দলের সিনিয়র একাধিক নেতা। এছাড়াও সাধারন মানুষের দু:সময়ের বন্ধু হিসেবে প্রমান রাখতেও এলাকায় সক্ষম হয়েছেন তিনি।

সামাজিকতা রক্ষা নয়, মন থেকে ভালবেসে সাধারন মানুষকে আপন করে নিয়েই এলাকায় নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন বলেও জানান, গৌরীপুর পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক রৌশন সারোয়ার সজির। এব্যাপারে জানতে চাইলে নাজনীন আলম বলেন, বিগত উপ-নির্বাচনে এ আসনে সন্তোষ জনক অবস্থান নিয়ে আমি একজন জোড়ালো প্রার্থী ছিলাম। তখন দলের সভানেত্রীর নির্দেশে আমাকে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহবান জানায় তখনকার ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেনসহ দলের সিনিয়র একাধিক নেতা। এবং আমি মনেকরি হাইকমান্ডের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী নির্বাচনে আমি দলের মনোনয়ন পাব।


























