রবিউল হাসান লায়ন , জনতারআদালত.কম । ০৮ অক্টোবর, ২০১৭ ।

১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এ দেশে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হকসহ কয়েক লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ভারতের মেঘালয় ও তুরাতে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠনের রিকুর্টিং এর দায়িত্বে। তার মাধ্যমেই এ জেলার অনেক মুক্তিযোদ্ধা নিবন্ধন হয়েছিলেন।
প্রশিক্ষণ নিয়ে এদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিকামী যুবকদের উৎসাহ প্রদান করছেন। আজ আলহাজ্ব সিরাজুল হক এর পিতা ছিলেন মরহুম শামুছ উদ্দিন। গ্রামের বাড়ী সদর উপজেলা কেন্দুয়া ইউনিয়নের নারিকেলী ফতেপুর। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহরের দেওয়ানপাড়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে শহরের বেলটিয়ার পুলিশ লাইনে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।
৯ অক্টোবর মরহুম কুলখানি উপলক্ষে মরহুমের বড় ছেলে রবিউল হাসান লায়ন, মেয়ে শাহানাজ বেগম ছোট ছেলে রফিকুল হাসান ও স্ত্রী নূরজাহান বেগম সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন। জানা যায়, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হক জামালপুর জেলার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রতিনিয়ত আন্দলন করে গেছেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি সবসময় ছিলেন স্বোচচার কোন মোহ তাকে কখনই প্রলভনে ফেলতে পারিনি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জামালপুর জেলা কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিল। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদে নির্বাচিত জেলা সদস্য ছিলেন তিনি।


























