ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১২ নভেম্বর, ২০১৭ ।

প্রায় দেড় বছর পর আজ রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপি বড় পরিসরে সমাবেশ করেছে, যেখানে প্রধান অতিথি হয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ঢাকায় আসা শুরু করে। বিএনপির অভিযোগ, সরকার সমর্থকেরা বিএনপির লোকজনকে সমাবেশে আসতে বাধা দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সমাবেশে আসতে সরকার বাধা দিচ্ছে। বিএনপির সমাবেশে লোক আসতে বাধা দিয়ে সরকার ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে।
অঘোষিতভাবে বাকশালকে কায়েম করতে চায়-এমন অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ভয় পায়, এরা মানুষকে ভয় পায়, জনগণকে ভয় পায় বলে যেমন একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল, তেমনি এক দলীয় শাসন কায়েম করতে চায়। তারা জনগণের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে।
এ অবস্থায় বিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, হতে পারে না। যারা সামান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই ভোট চুরি করে জিততে চায় তাদের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের মতো বৃহৎ দায়িত্ব কোনওভাবেই নিরপেক্ষ হতে পারে না। নির্বাচনে ইভিএম বাতিল ও সেনা মোতায়েন করতে হবে।
বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের ছাড় দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি আমি তাদের ক্ষমা করে দেব। কিন্তু জনগণ জানে, এরা কত অবিচার করেছে। জনগণ সেটা মানতে রাজি নয়।
“তারপরও বলেছি। আমরা দেশে সুষ্ঠু এবং সুন্দর এটা রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাই। কেন না আমাদের রাজনীতি বহুদলীয় ঐক্যের রাজনীতি।’’
বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন একটা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে বক্তৃতা শুরু করেন। শেষ করেন ৫টা ১২ মিনিটে।
বক্তৃতা শেষ করে সভাস্থল ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।


























