ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম , ২৪ জুলাই, ২০১৭ ।

অবশেষে চূড়ান্তভাবে বন্ধ হচ্ছে সিটিসেল। দেশের সবচেয়ে পুরোনো এই মোবাইলফোন কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে।
গত সপ্তাহে অপারেটরটির লাইসেন্স বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সংক্রান্ত ফাইল বিটিআরসিতে এসে পৌঁছায়। আর আজ সোমবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসির কমিশন বৈঠকে অপারেটরটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
জানা গেছে চলতি সপ্তাহেই একটি গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই লাইসেন্স বাতিলের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর মাধ্যমে দেশে সিটিসেল অধ্যায়ের শেষ হবে।
বিটিআরসির পাওনা পৌনে পাঁচশ কোটি টাকা না দেওয়ায় গত ২১ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দেনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে আদালতের নির্দেশে ১৭ দিন পর সিটিসেলের সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সংযোগ ফিরে পেলেও সে সময় থেকে সিটিসেলের আর কোনো গ্রাহক ছিল না।
২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের মার্চের মধ্যে সিটিসেলের পাওনা পরিশোধের কথা ছিল। কিন্তু যথা সময়ে তা পরিশোধ করেনি অপারেটরটি।
অন্যদিকে সিটিসেলের নামে এবি ব্যাংক থেকে নেওয়া ৩৫০ কোটি টাকা ঋণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক। রাজধানীর বনানী থানায় করা ওই মামলায় সিটিসেলের চেয়ারম্যান এম. মোরশেদ খান, তার স্ত্রী নাসরিন খান, সিটিসেলের এমডি, সিইও এবং এবি ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান এমডিসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এতে গ্রেপ্তার হন সিটিসেল সিইও মেহবুব চৌধুরী; পরে জামিন পান তিনি।
এছাড়া ৪৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা পাওনা আদায়ে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তুলতে চেয়েছিল ন্যাশনাল ব্যাংক। রাজধানীর মহাখালিতে অবস্থিত ভবনটির ৬ষ্ঠ হতে ১৩ তলা পর্যন্ত নিলামে তোলার জন্য ব্যাংকটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে দরপত্রও আহ্বান করে। কিন্তু পরে বিষয়টি আর এগুতে দেখা যায়নি। এর মধ্যে বকেয়া বেতন-ভাতা আদায়ে সিটিসেলকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে এর কর্মীরা।


























