বারিক আহমেদ , সিরাজগঞ্জ , জনতারআদালত.কম । ০৭ অক্টোবর, ২০১৭ ।

প্রায় সাত হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের হাতে ত্রাণ তুলে দিলেন সিরজগঞ্জ উল্লাপাড়ার জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম।
গতকাল শুক্রবার সকালের দিকে কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর এক নম্বর ক্যাম্পে সহস্থে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারের মাঝে ত্রাণ তুলে দেন মাননীয় এম পি তানভীর ইমাম। অবশিষ্ট ত্রাণ গুলো কক্সবাজারে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাকী বিতরণ করা হয়।
এমপির ব্যক্তিগত সহকারী এবং সলপ ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শওকত ওসমান শুক্রবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত মঙ্গলবার এম পি ও তার সহযোগী নেতা কর্মীদের নিয়ে মিয়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ হিসাবে চাল, ডাল, স্যালাইন, ঔষধ সহ প্রয়োজনী জিনিস পত্র নিয়ে কক্সবাজারে উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং শুক্রবার সকালে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পৌছান।
এমপির নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৬২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে প্রায় ৭ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারের মাঝে সহায়তা করেছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক প্রফেসর ইদ্রিস আলী, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, মহিলা সদস্য রিবলী ইসলাম কবিতা, সলপ ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শওকত ওসমান সহ প্রমুখ।
সবথেকে তাৎপর্যপুর্ণ বিষয় এই যে,যখন মিয়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাদের দেশীয় সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর হাতে নির্যাতনে স্বীকার, তখন তাদের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন “মানবতার প্রতীক” আমাদের প্রান প্রিয় নেত্রী ‘প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা’।
তিনি আগত রোহিঙ্গাদের খাদ্য,বস্র,বাসস্থান ও চিকিৎসা দিচ্ছেন।
এজন্য প্রতিদিন ঐতিহাসিক ‘নাফ নদী’ দিয়ে আসছেন হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে।
তাদের ঠাই মিলছে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। জননেতৃত্ব শেখ হাসিনা বলেছেন, “বাংলার মাটিতে যদি ১৬ কোটি মানুষ তিন বেলা খেতে পায়,তাহলে ১২ লক্ষ রোহিঙ্গারাও খাদ্য খেতে পারবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান করেছেন।
তার আহবানে সাড়া দিয়ে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান শেখ হাছিনার প্রশাসনিক উপদেষ্টা জনাব এইচটি ইমামের ছেলে এবং উল্লাপাড়া উপজেলার এমপি তানভীর ইমামের ব্যাক্তিগত অর্থায়নে প্রায় ৭ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারে মাঝে ত্রান দিয়েছন।


























