ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১৬ নভেম্বর, ২০১৭ ।

ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট নির্মাণের লক্ষ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং মালয়েশিয়ার বিএনজি গ্লোবাল হোল্ডিংস এসডিএন বিএইচডি অ্যান্ড কনসোর্টিয়ামের মধ্যে আজ একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ি ১৩ হাজার ৯২০ টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। রাজউকের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান ও মালয়েশিয়ান কোম্পানির চিফ এক্সিকিউটিভ প্রফেসর ড. শরিফা সাবরিনা নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চার বছরের মধ্যে এসব ফ্ল্যাটের নির্মাণ কাজ শেষ হবে এবং এজন্য মালয়েশিয়ান কোম্পানি বিনিয়োগ করবে।
পিপিপি’র আওতায় এ ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি পিপিপি’র আওতায় এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ একটি প্রকল্প।
এ উপলক্ষে প্যানপ্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, মধ্যবিত্ত ও স্বল্পআয়ের লোকদের জন্য এসব ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এক সময়ে একমাত্র রাজউক আবাসিক প্লট উন্নয়নের কাজ করতো। কিন্তু দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এখন ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অল্প জমিতে অধিক লোকের বসতির সুবিধা গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ।
তিনি বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্রায় ৭০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। সেখানে বড় আয়তনসহ বিভিন্ন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। রাজউকের অন্যান্য প্রকল্পেও ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব আবাসিক এলাকার পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। ইটপি ও এসটিপি স্থাপন করে পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এ প্রকল্পে ১৬০ একর জমির ওপর ৬০টি ২০ তলা ভবনে ১৪০০ বর্গফুট আয়তনের নয় হাজার ১২০টি, ১৪টি ২৫ তলা ভবনে ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের দুই হাজার ৬৮৮টি এবং ১১টি ২৫ তলা ভবনে ২২০০ বর্গফুট আয়তনের দুই হাজার ১১২টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এছাড়ও এ অ্যাপার্টমেন্ট পার্কে ১৩ হাজার ৯২০টি গাড়ি পার্ক করার সুবিধা, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার, লেক, পার্ক, খেলার মাঠ, ঝর্নাসহ নানা সুবধিা রাখা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন রাজউকের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান ও প্রকল্প পরিচালক আব্দুল লতিফ হেলালি।


























