ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।
এর আগে গত মে-জুনে উপহার হিসেবে চীন সরকারের দেয়া সিনোফার্ম ভ্যাকসিনের ১১ লাখ ডোজ পেয়েছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ যখন তার বিপুল সংখ্যক জনগণকে টিকা দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছিল ভ্যাকসিনের এ চালান দেশের মানুষের জন্য একটা বড় সুসংবাদ।
বিভিন্ন মাধ্যমে খুব শিগগিরই অবিরামভাবে টিকা পাওয়া যাবে এবং ঘাটতি থাকবে না বলে গতকাল বৃহস্পতিবার আশা ব্যক্ত করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই ৪৫ লাখ ডোজ টিকা পেলে অচিরেই গণটিকা কর্যক্রম পুনরায় শুরু হবে বলে একই দিন এক ভিডিও বার্তায় ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৬ থেকে ৮কোটি ডোজ এস্টোজেনেকার টিকা মজুদ আছে জানার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসিকে আস্ট্রোজেনেকার টিকা ২০ লাখ ডোজ পাঠানোর জন্য ঢাকা অনুরোধ করেছিল।
এছাড়াও, বাংলাদেশী প্রবাসী সম্প্রদায় টিকা চেয়ে হোয়াইটহাউজের কাছে একটি আবেদন করে।
এ ছাড়াও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব টিকা পেতে চীন এবং রাশিয়ার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। খুব শিগগিরই পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে বলেও আশা করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চীন থেকে দেড় কোটি ও রাশিয়া থেকে স্পুটনিকের ৫০ লাখ ডোজ টিকা আনার চেষ্ট করছে।
গত ২১ জানুয়ারি ভারতের কাছ থেকে উপহার হিসেবে বাংলাদেশ প্রথম ২০ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছিল।
বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ভারতের সিরাম থেকে ১ কোটি ২০ লাখ ডোজ টিকা পেয়েছে।


























