spot_img

বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীতকরণের দৃঢ় অঙ্গীকার

ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।

বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীতকরণের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ হাইকমিশনের সার্বিক সহযোগিতা আর এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুর ও সিঙ্গাপুর বিজনেস ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশের সাথে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো উপযোগি ও গতিশীল করতে অনুষ্ঠিত স্পটলাইট বাংলাদেশ ২০২১-এর ভার্চুয়াল সভায় এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। গতকাল এ সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সভার সূচনাতে  বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী এবং সিঙ্গাপুরের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী  এস ঈশ্বরণ উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।
উভয় মন্ত্রীই দু’দেশের ক্রমপ্রসারমাণ বাণিজ্য সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। এসময়ে উভয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করে এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সিঙ্গাপুরের মন্ত্রী বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সিঙ্গাপুরের অংশিদারিত্ব ও সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের আশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় বাংলাদেশে ব্যবসা ও বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে একটি প্যানেল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ  উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিআইডিএ)-এর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান  সিরাজুল ইসলাম। বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের খ্যাতিমান ব্যবসায়ী ও বাণিজ্য বিশ্লেষকগণ এই প্যানেল বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক  উপদেষ্টা  সালমান এফ রহমান এমপি স্পটলাইট সভায় সমাপনী  বক্তৃতা  দেন।
সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন মন্তব্য ও পর্যবেক্ষণের আলোকে বিদ্যমান বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে দ্রুততম সময়ে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের উপরে তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যেকার বাণিজ্য সম্পর্ককে সুদৃঢ়করণের লক্ষ্যে একটি বিশেষায়িত বাণিজ্য ব্যবস্থা প্রণয়নের প্রস্তুতিপর্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এই সভাগুলো। এ সভার ধারাবাহিকতায় অতি শীঘ্রই আরো তিনটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।  যেখানে এই দ্বিপাক্ষিক বিশেষায়িত বাণিজ্য ব্যবস্থার সম্ভাব্য রূপরেখা ও অন্যান্য আঙ্গিক নিয়ে উভয় দেশের উপযুক্ত প্রতিনিধি, বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনেরা মতবিনিময় করবেন।
এই সব সভার আলোচনা ও সিদ্ধান্তের আলোকে বিবেচনাধীন দ্বিপাক্ষিক বিশেষায়িত বাণিজ্য ব্যবস্থার সম্ভাব্য রূপরেখা বিষয়ক খসড়া প্রস্তাব প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি সমাপনী সভাও আয়োজন করা হবে। এ জাতীয় আয়োজনের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যেকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ককে আরো গতিশীল রাখতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ