spot_img

পুতুলের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় মানসিক প্রতিবন্ধীদের অধিকার

মাহবুব মিজান, জনতার আদালত.কম , ৮ জুলাই, ২০১৭ ।

 

 

 

 

 

সম্প্রতি বাংলাদেশ অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নিযুক্ত করা হয় ।

ডাব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং ডাব্লিউএইচওর সিদ্ধান্ত ঘোষণাকালে বলেন, অটিজম সনাক্তকরণে সায়মা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্রমাগত যে শ্রম দিচ্ছেন তা প্রশংসনীয়। তাছাড়া তিনি আক্রান্তদের দুর্ভোগ হ্রাসে ও সচেতনতা তৈরিতে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। গত এপ্রিলে ভুটানে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অটিজমসহ অন্যান্য নিউরো ডিসঅর্ডারের ওপর থিম্পু ঘোষণা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সায়মা।

১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের জন্ম হয়। পুতুল শিশু মনস্তত্ত্ব নিয়ে পড়াশুনা করেছেন।  ভারত এবং আমেরিকা থেকে অটিজমের উপর উচ্চতর ডিগ্রী (এম. এসসি) ও প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন। তিনি আমেরিকার মনরোগ বিশেষজ্ঞ সমিতির একজন সদস্য এবং মানসিক প্রতিবন্ধী বিষয়ক একটি গবেষণা সংস্থার সাথে জড়িত।

২০১৪ সালেও জনস্বার্থ উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি সরূপ ডব্লিউএইচও সাউথ-ইস্ট এশিয়ার রিজিয়ন অ্যাওয়ার্ড ফর ‘এক্সসিলেন্স ইন পাবলিক হেলথ’ পুরষ্কার পেয়েছেন শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন।

নিউরো ডেভলপমেন্ট ডিসঅর্ডার এবং অটিজম বিষয়ে অসাধারণ অবদান রাখায় তিনি এ পুরস্কার পেয়েছেন । অটিজম ও নিউরো ডিসঅর্ডার জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বলেছেন, অটিজমদের জন্য অনেক সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় বাঁধা আছে।

অটিজম শিশুদের নিয়ে পিতামাতারা বিরক্ত বা আবহেলা না করে বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্বাভাবিক আচারন দ্বারা তারা যেন আমাদের সাথে মিশতে পারে সেই সুযোগ দিতে হবে। অটিজম শিশুরা কে কোন কাজে দক্ষ তাদের সেই ব্যাপারে আভিভাবকদের লক্ষ রেখে কাজ করতে হবে বলে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল মতামত প্রকাশ করেন।

অতীতে যে মানসিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে ছিল অবহেলিত,  বাঙালি জাতি আজ আশান্বিত হয়তো বা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের হাত ধরেই বাংলাদেশসহ পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় মানসিক প্রতিবন্ধীদের মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানসিক প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, দেশ ও সমাজের সম্পদ হিসাবেই পরিগনিত হবে।

 

 

 

 

 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ