অহিদুর রহমান, নেত্রকোনা : খাবারের সন্ধ্যানে লোকালয়ে চলে আসা বিলুপ্ত প্রজাতির লজ্জাবতী বানর আটকের পর বনবিভাগের সহায়তায় গহীন বনে ছেড়ে দেয়া হয়। জানা যায় দূর্গাপুর উপজেলার গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের নন্দেরছটি গ্রামের আজিজুল হক ও স্থানীয় লোকেরা বৈদ্যুতিক তারে এই অচেনা বন্যপ্রানিটিকে দেখতে পেয়ে অনেক চেষ্টার পর আটক করে বন্দি করে রাখে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাণিটি আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে দূর্গাপুর এলাকায় বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে কাজ করে পরিবেশবাদি সংগঠন ‘সেভ দ্যা এনিম্যানস অব সুসং’(ঝধাব ঃযব অহরসধষং ড়ভ ঝঁংধহম)এর স্বেচ্ছাসেবরা লজ্জাবতী বানরটিকে উদ্ধার করে বনবিভাগের সহায়তায় বিলুপ্ত প্রজাতির এই বানরটিকে গহীনঅরণ্যে অবমুক্ত করা হয়।
জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস,খাদ্য সংকট,পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট, দুর্বল আইন, চোরা শিকারী, হাওর জলাভূমি ও নদীর নাব্যতা হ্রাস, ভূমিতে অতিরিক্ত বিষপ্রয়োগ,বন্যপ্রাণী নিয়ে বাণিজ্য,মানুষের নির্দয় ব্যবহার এর কারণে প্রকৃতি ও মানবজাতির জন্য জরুরি এই প্রাণবৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে।
পরিবেশবাদি সংগঠন ‘সেভ দ্যা এনিম্যানস অব সুসং’(ঝধাব ঃযব অহরসধষং ড়ভ ঝঁংধহম)এর সভাপতি আরেফিন রাসেল এর সাথেযোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,“ বিলুপ্ত প্রজাতির এই লজ্জাবতী বানরটি রাঁতের আঁধারে খাবারের সন্ধ্যানে লোকালয়ে চলে আসে। তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত ৪৭ টি বিলুপ্তপ্রজাতির বন্যপ্রাণি উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করতে পেরেছি। আর লজ্জাবতী বানর ১৩ টি উদ্ধার করতে পেরেছি।” আমাদের পরিবেশ সুরক্ষা, জীবনের প্রয়োজনেই বন ও বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ করা জরুরি।


























