ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
তফসিল ঘোষণার পর আগের কোনো অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর।
রোববার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মো. আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে সিইসি সেদিন যা বলেছেন, এটা আসলে প্রসঙ্গক্রমে বলেছেন। আমাদের বিষয়টা হচ্ছে তফসিল ঘোষণা পরে যেন কোনো রাজনৈতিক হয়রানি করা না হয়। কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, কারো বিরুদ্ধে যদি গ্রেপ্তারযোগ্য অভিযোগ থেকে থাকে আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তার করতে পারবে। কিন্তু উনি যেটা মিন করেছেন, রাজনৈতিক কারণে কাউকে যেন গ্রেপ্তার না করে তফসিলের পরে, গ্রেপ্তার যদি করতেই হয় সেটা যেন তফসিলের আগেই করা হয়। তফসিলের আগে যদি কোনো মামলা না থাকে এবং ক্রিমিনাল অফেন্স করেনি তখন কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে কমিশন তখন সেটা বিচার বিশ্লেষণ করবে। সেই হিসেবে কমিশনের কোনো বক্তব্য বা সাজেশন থাকলে সরকারকে দেবে।
মো. আলমগীর বলেন, মিনিমাম ৪৫ দিন সময় ধরে নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা করা হবে। ঠিক কোন সপ্তাহে তা এখনো আলোচনা হয়নি।
ভোটের পরিবেশ আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আমাদের তো দেখি সব ঠিকঠাক আছে। সংবিধানে ইসিকে দায়িত্ব দেওয়া আছে চলমান সংসদের মেয়াদপূর্তির পূর্বের নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সে অনুযায়ী ক্ষণ গণনা করে আমরা যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করছি। এখন শুধু তফসিল ঘোষণা বাকি আছে। সবাই নির্বাচন চাচ্ছে। ৪৪টা দলের সবাই নির্বাচনের পক্ষে।
বিএনপির দাবি প্রসঙ্গে মো. আলমগীর বলেন, সেটা তো রাজনৈতিক বিষয়। তারা কীভাবে সমাধান করবেন, সেটা তাদের বিষয়। আমাদের সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনে এলে আমরা খুশি হবো। উনাদের দাবি যাদের কাছে আছে সেটা তাদের কাছে আছে। আমরা চাই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল আসুক। আপনারা (বিএনপি) নির্বাচনে আসুন ভোট সুষ্ঠু হবে।
ভোটের আগে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা তো আশা করি আসবেন। যেকেউ, যেকোনো দেশ আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আসতে পারে। তারা নিজ খরচে আসবে। আমরা তাদের আপ্যায়ন করবো। তবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের আমরা দাওয়াত দিই। শুধুমাত্র তারাই এই দাওয়াতের অন্তর্ভুক্ত থাকে।
ব্যালট পেপার ভোটের আগের দিন বা ভোটের দিন সকালে দেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই ইসি সচিব বলেন, এটা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে যেখানে সকালে দেওয়া সম্ভব সেখানে সকালে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যেগুলোতে সকালে পাঠানো সম্ভব হবে না সেখানে আগের দিন পাঠানে হবে। সিদ্ধান্ত হবে তফসিলের সময়।


























