আজিজ খান, সিলেট ,
জনতারআদালত.কম , ২৪ জুলাই, ২০১৭ ।

গোলাপগঞ্জের চিহ্নিত অপরাধী দিদারুল আলম দিদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় তথ্যও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা রেকর্ড হলে দিদার পূর্বের মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। গোলাপগঞ্জের কুখ্যাত সন্ত্রাসী একাধিক মামলার আসামী পৌর এলাকার রনকেলী নয়াগ্রামের মৃত মজন আলীর পুত্র দিদারের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী হওয়ায় শান্তি প্রিয় মানুষের মধ্যে স্বস্থি নেমে এসেছে।
গত ১০ জুলাই দিদার তার ফেসবুকের আইডি থেকে গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর সচিব ও গোলাপগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সেক্রেটারী আব্দুল আহাদের বিরুদ্ধে ছবি সহ কুরুচিপূর্ন বিভিন্ন বাক্য ব্যবহার করে পোষ্ট করলে সাংবাদিক আহাদ এ ব্যাপারে তথ্য প্রমাণসহ গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের সংশোধীত ২০১৬ এর ৫৭ (২) ধারায় মামলা রেকর্ড হয় যার নং ১২ (তাং ২২.০৭.২০১৭)। এদিকে গতকাল সোমবার ছিলো সন্ত্রাসী দিদারের অন্য একটি মামলার ধার্য্য তারিখ। উল্লেখ্য যে ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় দিদারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান চৌধুরীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। এতে সাংবাদিক মাহবুবুর রহমানের বাম হাত ভেঙ্গে গেলে দিদারকে প্রধান আসামী করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলাটির বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহন চলছে। গত ১৬ জুলাই ঐ মামলার ধার্য্য তারিখে দুজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী বিজ্ঞ আদালতে সাক্ষ্য প্রদান শেষে বাদীর সংগে আদালত থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় আদালত প্রাঙ্গনেই দিদার সহ অন্য আসামীরা বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করলে বিষয়টি তাৎক্ষনিক ভাবে আদালতকে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়। গতকাল সোমবার ছিলো ঐ মামলার ধার্য্য তারিখ। এদিকে সাংবাদিক আহাদের দায়েরকৃত মামলায় সন্ত্রাসী দিদারকে আটক করার জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) দেলওয়ার হোসেন একটি আবেদন করেন।
গতকাল সাংবাদিক মাহবুবের মামলার ধার্য্য তারিখে অন্যান্য আসামীরা আদালতে হাজির হলেও দিদার আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত হয়েও হাজিরা না দেওয়ায় বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের আইনজীবির বক্তব্য শুনে দিদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করেন।


























