ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ২৪ আগষ্ট, ২০১৭ ।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই না।কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমাদের প্রতি সুবিচার করেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, আমরা চাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে আমরাই ক্ষমতায় যাব।’
বৃহস্পতিবার গুলশানের ইমানুয়েলস কনভেনশন সেন্টারে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের হাতে ফুল দিয়ে স্বপরিবারে জাতীয় পার্টিতে (জাপা) যোগ দিলেন সাবেক স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজ উদ্দিন। সঙ্গে তার স্ত্রী নুরজাহান নিয়াজ, দুই মেয়ে নুসরাত জাহান ও নাফিয়াতুজ সাবরিন, ছেলে ব্যারিষ্টার নাজমুল হাসান চৌধুরী এবং মেয়ের জামাতা মেহেদী আমীনও জাপায় যোগ দেন।
এরশাদ বলেন, বর্তমানে দেশে মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। মানুষ দুঃখে-কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় মানুষ অনাহারে খোলা আকাশের নিচে দিনযাপন করছে। সরকারের জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোঠায়। আর বিএনপির অবস্থা কি ? তারা মাঠে ময়দানে নেই, শুধু বক্তব্য দেয়। মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা গুম, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট চায় না।
এরশাদ আরো বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে প্রাদেশিক সরকার গঠন ও ঢাকা শহর যানজটমুক্ত করবো এবং সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেব। ক্ষমতা ছাড়ার পর আমাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে নানা বাধার সৃষ্টি করা হয়েছিল। এ দেশের জনগণ তা এখনো ভুলেনি।
তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়নের কথা মানুষ এখনো ভুলেনি। আমি ৪৬০ টি উপজেলা করেছিলাম। ২১ টি জেলা থেকে ৬৪ টি জেলা রূপান্তরিত করেছিলাম।
১০ হাজার পাকা রাস্তা করেছি এবং অসংখ্য ব্রিজ, কালভার্ট, কাঁচারাস্তা নির্মাণ করে জনগণের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছিলাম বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গাজীপুর জেলা আহ্বায়ক আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও গাজীপুর সিটি সভাপতি আব্দুস সাত্তার মিয়া।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, আবুল কাশেম, হাফিজ উদ্দিন, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মেজর খালেদ আখতার (অব.), চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাজী মামুনুর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, খন্দকার আব্দুস ছালাম, বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল, যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরম্নল ইসলাম ওমর এমপি, মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, কেন্দ্রীয় নেতা আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, ফকরম্নল আহসান শাহজাদা, জসিম উদ্দিন ভূইয়া, সুলতান মাহমুদ, এম এ রাজ্জাক খান প্রমুখ।


























