ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা বিএনপির সঙ্গে খেলতে চাই কিন্তু বিএনপি বার বার নির্বাচন থেকে পালিয়ে যায়। দেশের সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এটা আওয়ামী লীগ চায়।
সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগেরও সভাপতি। তিনি আওয়ামী লীগের মনোভাব যখন ব্যক্ত করেছেন, তখন সরকারের মনোভাবও ব্যক্ত করেছেন। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দু’টি বিষয়ই পরিষ্কার। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিএনপির সাথে খেলতে চাই। কিন্তু বিএনপি বার বার নির্বাচন থেকে.. খেলা থেকে পালিয়ে বেড়ায়।’
বিএনপির দাবি মেনে তাদের নির্বাচনে আনা কী সম্ভব- এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির আবদার, তারা নানা ভাষায় বলে, নানা ছুতোয় বলে, নানা কৌশলে বলে। কিন্তু তাদের সব কথার সারমর্ম হচ্ছে, তারা এমন একটি ব্যবস্থা চায়, যে ব্যবস্থার মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানো হবে সে নিশ্চয়তা দরকার। এটিতো নির্বাচন কমিশন ও জনগণ দিতে পারবে না। এদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে। যেভাবে নির্বাচন যুক্তরাজ্য, ভারতবর্ষে, জাপানে, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ও যুক্তরাষ্ট্রে হয়। সেভাবেই আমাদের দেশে নির্বাচন হবে। আশা করবো বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিতে পারে। কিন্তু নির্বাচন বানচাল করার অধিকার বিএনপির নেই।বিএনপি আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে, আন্দোলনে অংশগ্রহণের জন্য আসনের বণ্টন চাচ্ছে বিএনপির শরিকদলগুলো, এ বিষয় আপনি কীভাবে দেখেন- এমন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শরিকরা আসন চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বিএনপিকে আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি করবে না। শরিকরা আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা করছে তার মানে হচ্ছে বিএনপি নির্বাচন না চাইলেও শরিকরা নির্বাচন চায়। বিএনপি নির্বাচন থেকে পালিয়ে গেলে শরিকরাও বিএনপি থেকে পালিয়ে যাবে। এটিরই বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, এক জন নোবেলজয়ী শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে দেয় নি। সেটা আইনজীবীর মাধ্যমে অনৈতিক ভাবে মিটমাটের চেষ্টা করেছে। নোবেল পুরস্কারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, পুরস্কারকে অসম্মান করছে।’ শ্রমিকের পাওনা না মিটিয়ে উকিলের মাধ্যমে মিটমাট করার চেষ্টা করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল পুরস্কারকে অসম্মান করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


























