মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও ,
জনতারআদালত.কম , ৮ আগষ্ট, ২০১৭ ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত জেরে শিশু আহতের ঘটনায় আটক স্কুল শিক্ষক জহুরুল ইসলাম (সোলেমান মাস্টার) কে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। সোলেমান মাষ্টারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় গত সোববার সন্ধায় তাকে স্বসম্মানে ছেড়ে দেয় ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে আহত শিশু তানিয়ার বাবা মো: মানিক(মামলার বাদি) ওই দিন বিকেলে নিজ উদ্দোগে বিবাদি পক্ষের সাথে একটি সমঝোতায় আসে। জানা যায় , জমি সংক্রান্ত জেরে গত রোববার দুপরে মহেশপুর গ্রামের মানিকের পরিবার ও ৯৬ নং বালিয়াখুড়ি সরকারি প্রা: বিদ্যালয়ের শিক্ষক জহুরুল ইসলাম (সোলেমান মাস্টার) এর পরিবারের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও মারামারি হয়। ঘঁটনাস্থলে মানিকের ৬ বছরের মেয়ে তানিয়া গুরুতর আহত হলে তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘঁটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ ওই দিনই সোলেমান মাষ্টারকে আটক করে । পরে আহত শিশু তানিয়ার বাবার বক্তব্য অনুযায়ী তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। আহত শিশুর বাবা মানিক জানান, ঘঁটনাস্থলে আমি সোলেমান মাস্টারকে উপস্থিত থাকতে দেখিনি। তিনি হয়তো সেসময় স্কুলে ছিল। তবে আমার মেয়েকে কে আহত করেছে তা আমি দেখিনি। এ ব্যাপারে ৯৬ নং বালিয়াখুড়ি সরকারি প্রা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: দানিউল ইসলাম বলেন, এ ঘঁটনার সাথে আমার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক জহুরুল ইসলাম (সোলেমান মাস্টার) জড়িত থাকতে পারেনা। কারন ঘঁটনার সময় সে স্কুলের ৩য় শ্রেনির পাঠদানে ব্যস্ত ছিল। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানরত অবস্থায় একজন শিক্ষককে পুলিশ আটক করার ঘটনায় আমি মর্মাহত হয়েছি। জামালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যন নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিশু আহতের ঘঁটনাটি আমি শুনেছি তবে আহত ওই শিশুর বাবার কাছে আমি জানতে পেরেছি যে জহুরুল ইসলাম (সোলেমান মাস্টার) এর সাথে জড়িত নয়।


























