মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও ,
জনতারআদালত.কম । ১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ।

টানা ৩ দিন ভারী বর্ষণের ফলে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ও আমজানখোর, পাড়িয়া, চাড়োল, ধনতলা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এতে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। আর এ পানিবন্দী মানুষগুলো আশ্রয় হিসাবে বেছে নিয়েছেন পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। আকস্মিক বন্যার ফলে দুই ইউনিয়নের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে। পানি বন্দী বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের গ্রামগুলো হচ্ছে কাশুয়া খাদেমগঞ্জ, নয়াবস্তী, বিহারী কলোনী, খেরবাড়ী ও আমজানখোর ইউনিয়নের চুড়ইগদি, বেউরঝাড়ী, থুকরাবাড়ী, পাড়িয়া ইউনিয়নের সড়াগন্দি, বাদমেছিল, পিয়াজিপাড়া, মাছখুড়িয়া, পাচ দোয়াল, শালডাঙ্গা, ফাসিদহ, চারোল ইউনিয়নের ছোট সিঙ্গা, ভোটপাড়া, পতলাভাসা, চাড়োল, ধনতোলা ইউনিয়নের বাউরিভিটা, বটতলি, তেগাছিয়া সহ আরও কয়েকটি গ্রাম। পানি বন্দী পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করার জন্য বেসরকারী কোন এনজিও এগিয়ে আসেনি।
খবর পেয়ে শনিবার বিকালে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ ও জেলা আ.লীগের সভাপতি আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ: মান্নান ও বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের পানিবন্দী হয়ে পড়া এলাকা পরিদর্শণ করেন।
পরিদর্শণের সময় শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেওয়া মানুষগুলোর মাঝে শুকনা খাবার পৌছে দেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন তারা। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত পানি বন্দী মানুষগুলোর কাছে খাবার পৌছে দিয়েছে কি না সে খবর নেওয়ার জন্য বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে আমজানখোর ইউনিয়নের পানিবন্দী মানুষদের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আকালু।


























