মোহাম্মদ শাহআলম মিয়া, ব্যুরো চিফ,জনতার আদালত.কম, ঝিনাইদহ –
বিধবা, বয়স্ক ভাতা ও ভিজিডির র্কাড এবং প্রধান মন্ত্রীর দেওয়া ঘর কোনটা পাননি রনজু খাতুন। বিভিন্ন দপ্তরে ও জনপ্রতিনিদের দারে দারে এখনও ঘুরছেন মোছাঃ রনজু খাতুন। এমনকি তার মাথা গোজার একখন্ড জমি বা ঘর কিছুই নেই। রনজু খাতুন অন্যের জমির উপর নাতি-নাতনী নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিন জাপন করছেন। রনজু খাতুন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বানিয়াকান্দর গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
খোজঁ নিয়ে জানা যায়, রনজু খাতুনের স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে সে বিভিন্ন মানুষের বাড়ীতে কাজ করে অর্ধহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। নিজের এক টুকরো জমি না থাকায় সে অন্যের বাড়ীতে বসবাস করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। রনজু খাতুনের স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে পাগলাকানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের কাছে একাধিকবার ঘুরেও তার সুফল পাওয়া যায়নি। ফলে নাতি-নাতীন নিয়ে বর্তমানে সে অন্যের জমির উপর খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। ভূমিহীন বিধবা রনজু খাতুন একটা ঘরের জন্য প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
রনজু খাতুন বলেন, সরকার থেকে দেওয়া একটি ঘর পেলে নাতি-নাতীন নিয়ে বাকী জবিনটা সেখানে কাটাতে পারবেন বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জীবন যাপনের সমাজের বিত্তবানসহ জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
এব্যাপারে পাগলাকানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, রনজু খাতুনের ব্যাপারে আমি অবগত আছি। খোঁজ খবর নিয়ে ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা হবে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এস শাহিন বলেন, রনজু খাতুনের জমি বা ঘর না থাকলে খোঁজ খবর নিয়ে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাকে ঘর দেওয়ার র্সাবিক সহযোগিতা করা হবে।


























