রবিউল হাসান লায়ন, জামালপুর, জনতারআদালত.কম । ১৬ অক্টোবর, ২০১৭ ।

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ প্রকল্পের মাধ্যমে জামালপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য তিতপল্লা ইউনিয়নের সুলতান নগর ও দিগপাইত ইউনিয়নের রঘুনাথপুর সহ বেশ কয়েকটি মৌজার জমি অধিক গ্রহণের কাজ করছে। মাটি ভরাটের কাজও শুরু হবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই।
কিন্তু অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুলতান নগর ও রঘুনাথপুর মৌজার মাঝে জমির মূল্য নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি হলে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন স্থানীয়রা। এ নিয়ে সোমবার জামালপুর সার্কিট হাউজে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক আহম্মেদ কবির। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক খুরশিদ আলম পাটোয়ারী, এল.জি.ডি নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মণি, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইউনুস আলী মিয়া, সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান, রেলওয়ে উর্দ্ধতন সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল হক, জামালপুর ফায়ার সার্ভিস ইন্সপেক্টর আতিকুর রহমান, জামালপুর বিটিসিএল বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, পল্লী বিদুৎ প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন, দৈনিক আজকের জামালপুর পত্রিকার সম্পাদক এম.এ জলিল, দিগপাইত ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, তিতপল্লা ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, সুলতান নগর গ্রামবাসীর প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। মত বিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার এদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের জামালপুরে লক্ষ বেকারের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠতে যাচ্ছে। যা জামালপুরবাসীর জন্যএকটি বড় পাওয়া। হয়তো সাময়িক কিছুটা অসুবিধা দেখা দিবে, কিন্তু এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের প্রজন্ম অনেক উপকৃত হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরী বলেন, আপনারা আমাকে আপনাদের আবাসনের জন্য একটি লিখিত আবেদন দিন। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো সেটি বাস্তবায়ন করার জন্য। সেই সাথে তিনি এই প্রকল্প নিয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। সেই সাথে তিনি জমির মূল্য বিবেচনা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।


























