spot_img

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা ইস্যু এজেন্ডা হিসেবে গৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ।

চীন ও রাশিয়ার বিরোধিতা সত্বেও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান ও নির্যাতন বন্ধে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরা এবং পূর্ণ অধিকার দিয়ে তাদের নাগরিকত্ব দেয়ারও আহ্বান জানানো হয় এই প্রস্তাবে।

সেই সাথে মিয়ানমারে বিশেষ দূত নিয়োগ দিতে জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পাশে থাকায় বাংলাদেশের অবদানের কথা তুলে ধরা হয় অধিবেশনে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের সদর জাতিসংঘের থার্ড কমিটির বৈঠকে ওই ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়। এতে ১৭১টি দেশ অংশ নেয়। ১৩৫টি দেশ বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয়। আর মিয়ানমারের পক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ১০টি। এছাড়া ভোটদানে বিরত থাকে ২৬টি দেশ।

প্রস্তাবে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর সহিংসতা বন্ধ ও মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন পুনর্বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের ‘পূর্ণ নাগরিকত্ব’ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত ও রোহিঙ্গাদের ওপর যারা অত্যাচার-নিপীড়ন করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনার জন্যও দেশটির সরকারকে বলা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এপি জানায়, ৩১ অক্টোবর কমিটিতে ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শিরোনামে ওআইসি এ খসড়া প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। এর কো-স্পনসর ছিল ৯৭টি দেশ।

২ সপ্তাহের মাথায় সাধারণ পরিষদের থার্ড কমিটি ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে প্রস্তাবটি পাস করল। প্রায় ১৫ বছর ধরে এ কমিটি মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ নিয়ে প্রতি বছর এ প্রস্তাব গ্রহণ করে।

রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর অভিযানের এখনি ইতি টানতে বলেছে জাতিসংঘ কমিটি।

রোহিঙ্গাদের পূর্ণ অধিকার দিয়ে নাগরিকত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে পাস হওয়া প্রস্তাবে।

থার্ড কমিটি রাখাইনে জাতিসংঘ প্যানেলকে অবাধে কাজ করতে দিতেও মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সাধারণ পরিষদের এজেন্ডা নির্ধারণী অন্যতম ফোরাম থার্ড কমিটি মানবাধিকার লঙ্ঘন, নারী ও শিশু সুরক্ষা, আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে।

 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ