ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম , ২৭ জুলাই, ২০১৭ ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতার পরে সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতা দখল করে। সে সময় থেকে দীর্ঘ ২১ বছর এদেশের মানুষ অন্ধকারে নিপতিত ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরই ফের আলোর পথে যাত্রা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এসব কথা বলেন তিনি।
১৯৯৪ সালের ২৭ জুলাই স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠা হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম হয়।
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর বঙ্গবন্ধুকে আটক করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল ছাড়া পরিবারের সব সদস্যকে ধানমণ্ডির একটি বাড়িতে বন্দী করা হয়। শেখ হাসিনার গর্ভে তখন প্রথম সন্তান।
সেই সন্তানের জন্মের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমি তখন কয়েক মাসের অন্তঃসত্তা। ওই অবস্থায় বন্দী ছিলাম। আমার মাকে যেতে দেওয়া হয়নি। আমার মাকে তার মেয়ের পাশে থাকতে দেয়নি।”
“২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিলো। সেদিন আব্বা বলেছিলেন, ‘আমি থাকবো কিনা জানি না, দেখতে পারবো কিনা জানি না। তোর ছেলে হবে। সে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হবে। ছেলের নাম ‘জয়’ রাখবি।”
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে এ দেশের স্বাধীনতা। তিনি সারা জীবনে এদেশের মানুষকে কেবল দিয়েই গেছেন, বিনিময়ে কিছুই পাননি বা নেননি। এমনকি তাকে হত্যার পর কাফনের কাপড় বা সঠিকভাবে দাফনটুকুও পাননি। অথচ ত্যাগ, সততা আর বুকের তাজা রক্ত দিয়ে তিনিই বাংলাদেশকে স্বাধীন করে গেছেন।


























