spot_img

গ্রামই সব উন্নয়নের মূল কেন্দ্র : সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।

বুধবার ( ৩০ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের (লক্ষ্মীপুর-১) প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী, কার্যকর ও স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম লক্ষ্য। গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকারের দাবি সবসময়ই পরস্পরকে গতিশীল করেছে। গণতান্ত্রিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে একটি স্থানীয় সংস্থার প্রতিনিধি জনগণের স্বার্থকে তুলে ধরতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে যে, সংবিধানের আলোকে সব অঞ্চলে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদান করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা আবশ্যক। এ কারণে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী, কার্যকর ও স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম লক্ষ্য। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ অনুযায়ী স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী, কার্যকর ও স্বাবলম্বী করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৬ অনুযায়ী নগর ও গ্রামের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি গ্রামে আধুনিক সুবিধা সম্প্রসারণে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, গ্রামের দিকে নজর দিতে হবে। কেননা গ্রামই সব উন্নয়নের মূল কেন্দ্র। গ্রামের উন্নয়ন আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি যখন বেগবান হবে তখন গোটা বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সম্মুখপানে। এ ছাড়া সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ৩-৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনগণের ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদসহ পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনকে শক্তিশালী করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবার মান বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য জানুয়ারি ২০১৭ হতে ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত মেয়াদে লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট -৩ (এলজিএসপি-৩) বাস্তবায়ন হচ্ছে। পল্লী এলাকার দরিদ্র ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং নারীরা যাতে দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারের সুফল পেতে পারে সে লক্ষ্যে ইউএনডিপি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে বর্তমানে দেশের ২৭টি জেলার ১৩৫টি উপজেলার ১ হাজার ৮০টি ইউনিয়নে ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২ য় পর্যায়)’ প্রকল্পটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসময় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ