ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
‘দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া ছাড়া খালেদা জিয়ার সু-চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার সুযোগ নেই’ আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি।
আজ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, যিনি (খালেদা জিয়া) কোনও অপরাধই করেন নাই তার ক্ষমা চাওয়ারও প্রশ্নই আসে না।
দলটির নেতারা বলছেন, আইনি নয় বরং তার মুক্তি ও বিদেশ যাওয়ার জন্য দায়ী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। যা আইনমন্ত্রীর সংসদে দেয়া বক্তব্যে প্রমাণ হয়েছে।
করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এপ্রিলের শেষ দিকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল বিএনপি চেয়ারপার্সনকে। সেসময় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনও করা হয়েছিল। যদিও সরকার তখন সে আবেদন নাকচ করে দেয়। প্রায় দুই মাস চিকিৎসার পর হাসপাতাল ছেড়ে গুলশানের ভাড়া বাড়ি ফিরোজায় ফেরেন খালেদা জিয়া। তার দল ও পরিবারের দাবি, উন্নত চিকিৎসা দরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর। এ জন্য তাকে বিদেশে নেয়া প্রয়োজন। দলীয় আলোচনা থেকে যা গড়ায় জাতীয় সংসদ পর্যন্ত। যার জবাব দেন আইনমন্ত্রী।
প্রিন্স বলেন, ‘‘আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘সরকার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে।’ আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে সেসময় ফলাও করে প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু ২/১ দিন পরই তিনি ইউটার্ন নিয়ে বলেছেন, ‘সম্ভব নয়’ এবং এখন বলছেন ‘ক্ষমা চাইতে হবে’। এগুলো সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ এবং রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রিত ও কলুষিত করার ব্যর্থ চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।’’
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘১/১১’র সরকার বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণের অংশ হিসেবে মাইনাস-টু ফর্মুলার বাস্তবায়ন ঘটাতে খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাদেরকে দণ্ডিত করে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্র করেছিল।’
বিএনপি নেতা প্রিন্স দাবি করে বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার শর্তসাপেক্ষে রায় স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিলেও কার্যত তিনি গৃহবন্দি। আমরা খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর করবার আহ্বান জানাচ্ছি।


























