spot_img

খালেদা জিয়ার ব্যাংক হিসাব তলব

ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১১ আগষ্ট, ২০১৭ ।

 

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে রাজধানীর কর অঞ্চল-৮ থেকে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়। ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেনের তথ্য চিঠি পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। যদিও ২০০৭ সাল থেকে খালেদার সব হিসাব জব্দ রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বেগম খালেদা, পিতা : মরহুম ইস্কান্দার মজুমদার, স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, টিআইএন নম্বর ১৭৩৯৩৯৫৬৭২৯৭/সার্কেল ১৬৩।

বাড়ি নং এনইডি-১, রোড নং ৭৯, গুলশান-২ ঢাকা। ২০১০ সালের ১ জুলাই থেকে এই চিঠি পাওয়া পর্যন্ত সমস্ত হিসাব, লেনদেনের তথ্য সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে।’ আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ১১৩ (এফ) অনুসারে এ হিসাব তলব করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জানতে চাইলে এনবিআরের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কেউ কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার কর ফাঁকির তথ্য উদ্ঘাটন ও নতুন করে কোনো ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে তিনি লেনদেন করছেন কি-না তা জানতে তথ্য তলব করা হয়েছে। আয়ের সঙ্গে কোনো অসঙ্গতি রয়েছে কি-না তাও খুঁজে দেখা হবে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী আহমেদ আজম খান বলেন, কোন উদ্দেশ্যে ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত আমরা জানি না। তবে মনে হচ্ছে, এটা রাজনৈতিক হয়রানি।

তিনি বলেন, হিসাব তলব করলে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু কথা হল খালেদা জিয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করতে হবে কেন। হিসাবের সব তথ্য আয়কর নথিতে উল্লেখ আছে। প্রতিবছরই আয়করের সঙ্গে হিসাব জমা দেয়া হয়। এবারও হিসাব জমা দেয়া হবে। ফলে হিসাব তলবের জন্য আলাদা কোনো প্রক্রিয়ার দরকার নেই।

খালেদা জিয়ার জব্দ অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে বিভিন্ন সময়ে দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলন করে ও লিখিত আবেদনের মাধ্যমে জব্দ আদেশ প্রত্যাহারের অনুমতি চাওয়া হচ্ছে। বরাবরই দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মিথ্যা অভিযোগে খালেদা জিয়ার সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এনবিআরের কোনো মামলা না থাকা সত্ত্বেও আজ অবধি কোনো অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হয়নি। এটি যে কোনো নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ