ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ১ নভেম্বর, ২০১৭ ।

রাজধানীর কাকরাইলে বুধবার সন্ধ্যায় একটি ফ্ল্যাটের মধ্যে মা ও সিঁড়িতে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। দু’জনকেই উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে খুনিরা।
কারা কি উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। রাত ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছিলেন। ওই বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল।
নিহত শামসুন নাহার করিম (৪৬) ও ছেলে শাওন করিমের(১৮) মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত শামসুন নাহারের স্বামী আব্দুল করিমের আমদানি-রফতানির বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা রয়েছে। ছেলে শাওন এ বছর ‘ও’ লেভেল পরীক্ষা দিয়েছিল। তার মা গৃহিনী।

ভাড়াটিয়ারা জানান, পঞ্চম তলার এক পাশে করিম স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছোট ছেলে শাওনকে নিয়ে থাকতেন। অন্য পাশে কেউ থাকতেন না।
বাড়ির মালিক ও গৃহকর্তা আবদুল করিম তখন বাসার বাইরে ছিলেন। তাঁর শ্যামপুরে ব্যবসা আছে।
বাসার কাজের মেয়ে বলেন, সন্ধ্যায় তিনি ফ্ল্যাটে ঢোকেন। এ সময় শামসুন্নাহার দরজা খুলে দেন। ঘটনার সময় তিনি রান্নাঘরে ছিলেন। কেউ একজন এসে বাইরে থেকে রান্নাঘরের দরজা লাগিয়ে দেয়।
এরপর তিনি ‘ম্যাডাম’ শামসুন্নাহারের বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার শুনতে পান। কাজের মেয়ে বলেন, বাসার দারোয়ান এসে রান্নাঘরের দরজা খুলে দিলে তিনি সেখান থেকে বের হন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়িটির দারোয়ান ও নিরাপত্তাকর্মীসহ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক দারোয়ান পুলিশকে জানায়, উপর থেকে একজন লোক নিচে এসে ওপরে মারামারি লাগছে জানিয়ে তাকে যাওয়ার জন্য বলে। তখন দারোয়ান উপরে উঠে পাঁচতলার সিঁড়িতে শাওনের লাশ ও ভেতরে সামসুন্নাহারের লাশ দেখতে পান।
পুলিশ বলছে, কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, আমরা তদন্ত করছি।


























