ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
গত ২৪ ঘণ্টায় বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৩০ মিনিটে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় এ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সাতক্ষীরা জেলা উচ্চঝুঁকিতে। এদিকে রোগীর চাপে হাসপাতালগুলোতে হিমশিম অবস্থা। করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেগঞ্জে।
রাজশাহী বিভাগ : রাজশাহীতে গেল ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে রাজশাহীর ১০, নাটোরের ৬, পাবনার ৪ এবং নওগাঁর ২ জন রয়েছেন। বরিশাল বিভাগে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১২ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে বরিশালে ৫ জন, বরগুনায় ৩, পিরোজপুরে ২ এবং পটুয়াখালী ও ভোলায় দুইজন রয়েছেন।
খুলনা বিভাগ : খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছে ২১৩ জনের।
বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে বুধবার (২১ জুলাই) বিভাগে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। এছাড়া খুলনায় ১০ জন, মেহেরপুরে ৮ জন, মাগুরায় ৪ জন, ঝিনাইদহ ও যশোরে ৩ করে মারা গেছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগ : গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বরিশাল বিভাগ : বরিশাল বিভাগে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১৪ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে করোনা সংক্রমণে ৮ ও উপসর্গ নিয়ে ৬ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে বরিশালে ৫ জন, বরগুনায় ৩, পিরোজপুরে ২ এবং পটুয়াখালী ও ভোলায় দুইজন রয়েছেন।
রংপুর বিভাগ : রংপুর বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনায় তারা মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু মো. জাকিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, একই সময়ে করোনা সংক্রমিত আরও ২০২ জন শনাক্ত হয়েছেন।শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ২৭ শতাংশ।
ময়মনসিংহ বিভাগ : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ময়মনসিংহের ৯ এবং শেরপুর ও নেত্রকোনায় দুইজন মারা গেছেন।
মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুরে ১৯, দিনাজপুরে ৭ জন মারা গেছেন।


























