আব্দুল কাদের চৌধুরী, রবিউল হাসান লায়ন ও মাহমুদুল হাসান রতন , ময়মনসিংহ ।
জনতারআদালত.কম , ২৪ জুলাই, ২০১৭ ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় দেড় বছর বাকি থাকলেও ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের প্রার্থীতা নিয়ে এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক দৌড়-ঝাঁপ শুরু হয়ে গিয়েছে ।
সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে তৎপর হয়ে উঠছেনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সংসদীয় আসন এলাকায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া।
ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪ আসনের সংসদীয় এলাকায় আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে। নির্বাচনের আগে এ কোন্দল নিরসন করা না হলে নির্বাচনী মাঠে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে নামানো কঠিন হবে।
ধারাবাহিক প্রতিবেদনের এই পর্বে থাকছে ময়মনসিংহ বিভাগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা।
ময়মনসিংহ জেলা :
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া): সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনের মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন তার পুত্র জুয়েল আরেং। তিনি আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবেন। হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক খান , এছাড়া এডভোকেট পীযুষ কান্তি দে-ও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন ।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা): ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ফুলপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এমপি নির্বাচিত হন শরীফ আহমেদ । তিনি আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবেন। তবে সাবেক এমপি হায়াতুর রহমান খান বেলাল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব মনোনয়ন পেতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ ছাড়াও প্রার্থী রয়েছেন ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ লিটন
ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর): এ আসনে আওয়ামীলীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকিরের মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদ। তিনি আগামী নির্বাচনেও দলের সম্ভাব্য র্প্রাথী হিসাবে নৌকার মনোনয়ন চাইবেন। তবে এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক নাজনীন আলম। এছাড়াও কৃষিবিদ সামিউল আলম লিটনও মনোনয়ন চাইবেন। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফ হাসান অনু এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান রয়েছেন প্রার্থী তালিকায়।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর): এ আসনে আওয়ামীলীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এখনো শক্ত প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এছাড়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ডাঃ এম এ আজিজ, শিল্পপতি আমিনুল হক শামীমও দলীয় মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা): এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি কে এম খালিদ বাবু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই আকন্দ, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বদর উদ্দনি আহমেদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর স্ত্রী সেলিমা সোবহান খসরু ও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মো. তারেক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া): আওয়ামীলীগের এমপি মোসলেম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মালেক সরকার মালকি, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রতীক পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল): স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি এখন দলীয় কোন্দলে বিপর্যস্ত।
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে এডভোকেট জালাল উদ্দিন খান, সাবেক এমপি রেজা আলী, সাবেক এমপি হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিন সরকার, “এ লাশ ঢাকা আসবেই ও যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই” গানের প্রখ্যাত কন্ঠযোদ্ধা- যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের সুযোগ্যা কন্যা-জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহধন্য ফারহানা কালাম লিসা , ত্রিশাল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, বৈলর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান মুকুল, এডভোকেট ফরিদ, ত্রিশাল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম ও পৌর মেয়র এ বি এম আনিছুজ্জামান গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ): এ আসনে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি আবদুস সাত্তার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান সুমন, তারেকুল হাসান তারেক ও সাবেক অতিরিক্ত আইজি আবদুর রহিম।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল): এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান সাবেক এমপি মেজর জেনারেল (অব.) আবদুস সালাম, এ ডি এম সালাউদ্দিন হুমায়ুন, শাহজাহান কবির সুমন , বর্তমান এমপি আনোয়ারুল আবেদিন তুহিন মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-পাগলা) : এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে বর্তমান এমপি ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, আলাল উদ্দিন এবং সাবেক এমপি ক্যাপ্টেন (অব.) গিয়াস উদ্দিনের নাম শোনা যাচ্ছে।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) : এ আসনে বর্তমান এমপি ডা. আমান উল্লাহ ছাড়াও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পিন্টু, আওয়ামীলীগ নেতা কাজিম উদ্দিন ধনু, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরা সুলতানা মনি, ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন দলীয় প্রতীক পেতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শেরপুর জেলা :
শেরপুর-১ (সদর) : বর্তমান এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আতিউর রহমান আতিক, বর্তমান সংরক্ষিত মহিলা এমপি ফাতেমাতুজ্জোহুরা শ্যামলী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছানোয়ার হোসেন ছানু, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সামছুন্নাহার কামাল এবং কেন্দ্রীয় প্রজন্ম-‘৭১ এর সভাপতি মো. আব্দুল আজিজ।
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) : বর্তমান এমপি ও কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং নালিতাবাড়ি উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা।
শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতি-শ্রীবরর্দী) : বর্তমান এমপি প্রকৌশলী এ কে ম ফজলুল হক চান, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহাম্মদ খুররম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো. নূরুল ইসলাম হিরু, শ্রীবরর্দী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম লিটন, বর্তমান সাংসদের ভাই মো. হেদায়েতুল ইসলাম হেদা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইফতেখার হাসান কাফি জুবেরী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছরীন বেগম, ঝিনাইগাতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএমএ ওয়ারেছ নাঈম, এডিএম শহিদুল্লাহ, কৃষিবিদ ফররুখ আহাম্মেদ এবং সাবেক প্রয়াত এমপি এমএ বারীর পুত্র মহসিনুল বারী রুমি।
জামালপুর জেলা :
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) : সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এমপি, বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এমএ সাত্তারের ছেলে ব্যারিস্টার সামির সাত্তার, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইশতিয়াক হোসেন দিদার।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) : উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি, মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফের মেয়ে সংরক্ষিত আসনের এমপি মেহজাবিন খালেদ বেবি এবং শাহজাহান আলী মন্ডল ।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) : একক প্রার্থী বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী এবং যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) : ঢাকার তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল আব্দুর রশিদ, সাবেক সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মুরাদ হাসান, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাও. নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা।
জামালপুর-৫ (সদর) : সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা এমপি, দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট বাকি বিল্লাহ, এফবিসিসিআইর পরিচালক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজনু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট এইচআর জাহিদ আনোয়ার, উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আমান উল্লাহ আকাশ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. আব্দুল মান্নান, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ্র, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ইঞ্জি. মোজাফ্ফর হোসেন।
নেত্রকোনা জেলা :
নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) : কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সহ-সভাপতি ছবি বিশ্বাস এমপি, সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, সাবেক এমপি মরহুম জালাল উদ্দিন তালুকদারের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শাহ কুতুব উদ্দিন তালুকদার রুয়েল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য কলমাকান্দা ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মো. ফখরুল ইসলাম ফিরোজ, দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান এমদাদুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ।
নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্রা) : যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সদর ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক তফসির উদ্দিন খান, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও নেত্রকোনা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি শামছুর রহমান লিটন, আওয়ামী লীগ নেতা লে. কর্নেল (অব.) আবদুন নুর খান, চিত্রনায়ক রানা হামিদ।
নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) : আলহাজ ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, সাবেক এমপি মঞ্জুর কাদের কোরায়শী, আটপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী খায়রুল ইসলাম, শিল্পপতি শামসুল কবীর খান, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক নাগিবুল হাসান দীপু, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন, মো. আবু সাঈদ খান, মো. আলমগীর হাসান, মেহেদী হাসান টিটো।
নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) : রেবেকা মমিন এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক শফি আহমেদ, খালিয়াজুরী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান সোয়েব সিদ্দিকী, মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদ ইকবাল, মদন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ক্যাপ্টেন অব. এম. মনজুরুল হক, জেদ্দা আওয়ামী লীগ শাখার সাবেক সভাপতি মমতাজ হোসেন চৌধুরী।
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) : পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (বীরপ্রতীক) এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক মুহ.আবদুল হান্নান খান, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. মিছবাহুজ্জামান চন্দন।


























