spot_img

উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করুন : প্রকৌশলীদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ২৮ অক্টোবর, ২০১৭ ।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন যে কোন উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রকৌশলীদের প্রতি আহবান জানিয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারলে এ দেশ উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দিকে একধাপ এগিয়ে যাব। এজন্য সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে ‘টেকসই লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন শনিবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অডিটরিয়ামে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্থপতি, প্রকৌশলী ও নগর পরিকল্পনাবিদদের ভুমিকা’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

বুয়েট এলামনাই এ সেমিনারের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতিসংঘ ঘোষিত সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে এখন বিশ্বে রোল মডেল এ কথা উল্লেখ করে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন,

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণেও বাংলাদেশ বিশ্বে অনুকরণীয় হবে।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত দারিদ্র দূরীকরণ, শিক্ষা,স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎশক্তি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, দক্ষতা উন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন, নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করণের মত বিষয়সমূহ রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১ সালের সাথে সম্পর্কিত। তিনি বলেন, এ সকল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সম্পদের অপ্রতুলতা। সীমিত সম্পদের ব্যবহার করে এ টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রকৌশলীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন,এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে সরকার সকল পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। দারিদ্র ও ক্ষুধা দূরীকরণ, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, নিরাপদ আবাসন,টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থাসমূহ কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিতে অনেকদূর এগিয়েছি। বাংলাদেশে বর্তমানে শতকরা ৮৭ ভাগ লোক বিশুদ্ধ পানির আওতায় এসেছে, উন্মুক্তস্থানে মলমূত্রত্যাগ শতকরা এক ভাগের নিচে নেমে এসেছে, এ অর্জন ধরে রাখতে হবে।

অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যে এসডিজির গুরুত্ব অনুধাবন করে কাজ করতে নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের সকলকে অনুরোধ জানান।

মুখ্য প্রবন্ধ উপস্থাপক অধ্যাপক আইনুন নিশাত এমডিজি অর্জনের অভিজ্ঞতার অলোকে এসডিজি অর্জনে কিভাবে বাংলাদেশ সফল হতে পারে তা তুলে ধরেন।

তিনি সীমীত সম্পদের যথাযথ ব্যবহার, অধিক খাদ্য উৎপাদনের ফলে পরিবেশগত ঝুঁকি, পানি সম্পদ ব্যবস্থানা প্রভৃতি বিষয়ে আলোকপাত করেন।

তিনি উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সকলের জন্য সমতাভিত্তিক উন্নয়নের বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ