spot_img

ইউক্রেনকে হারিয়ে ২৫ বছর পর সেমিতে ইংল্যান্ড

ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।

হ্যারি কেন ঝড়ে উড়ে গেল ইউক্রেনের প্রথম ইউরো সেমিফাইনালে ওঠার যাবতীয় সম্ভাবনা। প্রথমার্ধে একটি এবং দ্বিতীয়ার্ধে তিন গোল করে ইউরো কাপের শেষ চারে উঠল থ্রি লায়ন্স। জয়ের ব্যবধান আরও বাড়তেও পারত। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ইউরো সেমিফাইনাল খেলবে ইংল্যান্ড। সঠিক সময়ে সঠিক মোমেন্টাম ডেনমার্কের বিরুদ্ধে নামার আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াল গ্যারেথ সাউথগেটের দলের।

এদিন ইউক্রেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সাতটি ম্যাচে মাত্র একটিতেই হেরেছিল ইংল্যান্ড, সেটিও ২০০৯ সালে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে। ২০১৩ সালে দুই দলের শেষ সাক্ষাত গোলশূন্য়ভাবে শেষ হয়েছিল। কোয়ার্টার ফাইনালে আন্দ্রেই শেভচেঙ্কোর দলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক খেলার লক্ষ্যে ৪-২-৩-১ ছকে দল নামিয়েছিলেন গ্যারেথ সাউথগেট। তাঁর রণকৌশল ও দল নির্বাচন নিয়ে অনেকে অনেক প্রশ্ন তুললেও কোচের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছিলেন ফুটবলাররা। এদিন প্রথম একাদশে জর্ডন স্যাঞ্চোকে রাখেন সাউথগেট, এবারের ইউরোতে এই প্রথম। স্তাদিও অলিম্পিকোয় ম্যাচের চার মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ইউক্রেন ডিফেন্সকে নাস্তানাবুদ করে রাহিম স্টার্লিংয়ের বাড়ানো বল জালে জড়াতে ভুল করেননি অধিনায়ক হ্যারি কেন। এরপর স্যাঞ্চো, মাউন্ট, স্টার্লিংরা কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে এক গোলেই এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। প্রত্যাশিতভাবেই দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের খেলার মান আরও উন্নত করল সাউথগেটের দল। ৪৬ মিনিটে লিউক শ-র ফ্রি কিক থেকে হিওর্হি বুশ্চেনের নাগালের বাইরে দিয়ে হ্যারি মাগুয়্যারের জোরালো হেড জালে জড়াতেই ইংল্যান্ড এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।

চার মিনিট পরেই হ্যারি কেনের দ্বিতীয় গোল। স্টার্লিংয়ের ব্যাক হিল থেকে বল পেয়ে কেনকে লক্ষ্য করে ক্রস তোলেন শ, বুশ্চেনের পায়ের কাছ দিয়ে গোললাইন পেরিয়ে যায় কেনের হেড। এই গোলের সুবাদেই মেজর টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় অ্যালান শিয়েরারের ৯টি গোলের নজির স্পর্শ করে ফেললেন কেন। তাঁর সামনে এখন শুধুই গ্যারি লিনেকারের দশ গোলের রেকর্ড। ২০০০ সালের ইউরোর পর একই ইউরোতে তিনটি অ্যাসিস্ট করে এবার ডেভিড বেকহ্যামের রেকর্ড স্পর্শ করলেন লিউক শ। ৬২ মিনিটে অনবদ্যভাবে গোল বাঁচান বুশ্চেন, এটি গোল হলেই হ্যাটট্রিক হতো কেনের। তবে এরপরই ম্যাসন মাউন্টের কর্নার থেকে হেড করে ম্যাচে ইংল্যান্ডের চতুর্থ গোলটি করেন পরিবর্ত হিসেবে নামা জর্ডন হেন্ডারসন। দেশের হয়ে প্রথম গোলটি তিনি পেলেন ৬২তম ম্যাচে, ইংল্যান্ডের আর কাউকে প্রথম গোলের জন্য এত দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়নি।

পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যেতেও ব্যবধান কমানোর চেষ্টা চালাতে থাকে ইউক্রেন। তবে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করা সম্ভব হয়নি ইউক্রেনের ফুটবলারদের পক্ষে। বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে মেজর টুর্নামেন্টের নক আউট পর্বে ইংল্যান্ড মাত্র একবারই চার গোল করেছিল। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির বিরুদ্ধে চার-দুই গোলে জিতেছিল থ্রি লায়ন্স। টানা দ্বিতীয় মেজর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে ডেনমার্কের, বুধবার ওয়েম্বলিতে।

 

 

 

//oi

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ