ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম ।।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা একশ ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রণ আসার পর থেকেই দেশ ছাড়তে কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে মরিয়া আফগানরা। পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় কাটছে তাদের দিনরাত। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও আফগানিস্তান ছাড়ার অপেক্ষায়।
এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাবি গেটের কাছে প্রথম একটি বিস্ফোরণ হয়। সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলো মার্কিন ও ব্রিটিশ সেনারা।
এর কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরের পাশে ব্যারন হোটেলের কাছে আরেকটি বিস্ফোরণ হয়। তালেবানের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে তাদের কয়েকজন সদস্যও রয়েছে।
ভয়াবহ এই হামলার পর পাল্টা জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আফগান শাখা ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রোভিন্স (আইএসকেপি) এই হামলা চালিয়েছে বলেও জানান তিনি। বাইডেন বলেন, আমরা তাদের খুঁজে বের করে মোক্ষম জবাব দেবো। আমার সামর্থ্যের পুরোটা দিয়ে আমি আমাদের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করবো।
পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, এয়ারপোর্টের অ্যাবে গেটের কাছে একটি বিস্ফোরণ হয়। আরেকটি বিস্ফোরণ হয় ব্যারন হোটেলের কাছাকাছি। দুজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, অন্তত একটি বিস্ফোরণ আত্মঘাতী বোমা হামলা বলে মনে হয়েছে।
আফগানিস্তানে ২০১১ সালের পর সবচেয়ে বেশি মার্কিন সেনার প্রাণ গেছে কাবুলের এ জঙ্গি হামলায়।
জাতিসংঘ মহাসচিব মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক জানান, কাবুলে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
১২ দিনে কাবুল ছেড়েছে বিদেশি ও আফগানসহ লাখেরও বেশি মানুষ।


























