spot_img

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশও জোরালো ভূমিকা পালন করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট, জনতারআদালত.কম । ২৮ অক্টোবর, ২০১৭ ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশও জোরালো ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশ প্রতিনিয়ত নানা তথ্য-উপাত্ত পুলিশকে অবহিত করছে এবং সে আলোকে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছে। এর ফলে সামাজিক অপরাধের প্রবণতা অনেক কমে এসেছে।

আজ দুপুরে প্রথমবারের মতো ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৭’ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক। ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আরো অনেকে বক্তৃতা করেন।

অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তবে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা যদি আরো জোরদার করা যায় তাহলে পুলিশের কাজে তাদের সহযোগিতা যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি সমাজে অপরাধ প্রবণতা অনেক কমে আসবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। কমিউনিটি পুলিশ জোরদার হলে সবাইকে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে। ছোট ছোট বিরোধ উৎসের সময়ই শেষ করে দিতে পারলে থানায় আর মামলা করতে হবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দুই দফায় ইতোমধ্যে ৮০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং এ বছর ডিএমপির জন্য গাড়ি কেনা হয়েছে । পুলিশের অন্য সমস্যাগুলো দূর করার জন্য কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং হলো জনগণের কাছে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশের জবাবদিহি করা। দেশের জনগণের সঙ্গে থানা-পুলিশের দূরত্ব কমলেই কমিউনিটি পুলিশিং সফল হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো: আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন,অপসংস্কৃতি নিবৃত্ত করাই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কাজ। কমিউনিটি পুলিশ সক্রিয় হলে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদকদ্রব্য, ইভ টিজিং ও বাল্যবিবাহ থাকবে না।

তিনি বলেন, গুলশানে জঙ্গি হামলার পর যে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, পুলিশ তা মোকাবিলা করেছে। একের পর এক অভিযান চালানো হয়। এতে কমিউনিটি পুলিশ আমাদের সঙ্গে ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে ডিএমপি’র সদর দফতর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি কাকরাইলস্থ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।

কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে পুলিশের আট বিভাগ থেকে আটজন সদস্যকে ও বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।এ ছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং-ডে উপলক্ষে অনুষ্ঠানস্থলে রক্তদান কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

সর্বশেষ