ডেস্ক রিপোর্ট , জনতারআদালত.কম । ১৮ অক্টোবর, ২০১৭ ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বলেছেন রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে চীন ও রাশিয়ায় বিদেশ দূত পাঠানোর চিন্তা করা হচ্ছে।
ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবশ্য দাবি করেছেন যে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীন ও রাশিয়ার অবস্থান বাংলাদেশের বিপক্ষে নয়, তারাও সমস্যা অনুধাবন করতে পারছে বলে মনে করেন তিনি।
তবে এ দুটি দেশকে পুরোপুরি বোঝাতে কবে নাগাদ দূত পাঠানো হবে সেটি অবশ্য বলেননি পররাষ্ট্র মন্ত্রী।
বাংলাদেশ সীমান্তে নো-ম্যানস ল্যান্ডে আরও ১৫ হাজার রোহিঙ্গা এসেছে বলে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার দেয়া এমন তথ্যের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন , এটি তার জানা নেই।
তার দাবি বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্যই আন্তর্জাতিকভাবে সবাই মিয়ানমারের নিন্দা করছে ও সমাধান খুঁজতে সবাই আগ্রহী।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত কয়েকদিনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশ কিছু উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে রোহিঙ্গা ইস্যুটি গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, গোটা পৃথিবী আমাদের সাথে আছে। আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করতেই হবে। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টের বাস্তবায়ন চায় রাশিয়া ও চীন। গত শুক্রবার জাতিসংঘে আরিয়া ফরমুলা বৈঠকে তারা এটির সম্মতি জানায়।
তিনি বলেন, ১৩ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা পরিষদ প্রথম বিবৃতি দিয়েছে। উন্মুক্ত আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর একটি ভূমিকা রয়েছে বলে কফি আনান জানিয়েছেন।
তিনি জানান, জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দফতরের তিনটি প্রতিনিধি দল কক্সবাজার সফর করেছে এবং তারা দুটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি বন্ধু রাষ্ট্রসহ সব আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পরিদর্শনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
জাতিসংঘের হিসেবে সাড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে গত ২৫শে অগাস্টের পর থেকে


























